• রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

  • চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৩১ জুলাই ২০২০

চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। ঈদুল আজহার প্রথম জামাত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাদ্রা দারুযযফর সিরাজুমমনির হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শুক্রবার সকাল সোয়া আটটায় অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও চাঁদপুরের অর্ধশতধিক গ্রামে পবিত্র ঈদের জামাত সকাল আটটা থেকে ৯টার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিগত ৮৬ বছর ধরে এসব গ্রামের বেশীরভাগ মুসলিমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো পালন করে আসছেন। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে এবার ঈদগাহে নামাজ না পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে মসজিদে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা আবু ইছহাক ইংরেজি ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন তিনি। মাওলানা ইছহাকের মৃত্যুর পর থেকে তার ৬ ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন।

এদের মধ্যে তার বড় ছেলে আবু যোফার মোহাম্মদ আবদুল হাই সাদ্রাভী অন্যতম। তার মৃত্যুরপর তার নাতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী এ মতবাদের প্রচার করে আসছে।

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামে প্রায় ৮৬ বছর ধরে এভাবে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

আগাম ঈদ পালন নিয়ে মতভেদ রয়েছে। অতীতে একাধিকবার সংঘাত ও সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদীন ধরে বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চললেও আজও পর্যন্ত এর স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে একই গ্রামের এমনকি একই পরিবারের সদ্যসদের কেউ একদিন আগে আবার কেউ একদিন পরে ঈদ উদযাপন করছেন।

যেসব গ্রামে আজ ঈদ উদযাপন হচ্ছে সেগুলো হলো- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, বেলচা, জাঁকনি, প্রতাপপুর, গোবিন্দপুর, দক্ষিণ বলাখাল। ফরিদগঞ্জ উপজেলার-সেনাগাঁও, বাসারা উভারামপুর, উটতলী, মুন্সিরহাট, মূলপাড়া, বদরপুর, পাইকপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, কাইতাড়া, নুরপুর, শাচনমেঘ, ষোল্লা, হাঁসা, চরদুখিয়া। মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশআনী, মোহনপুর, পাঁচআনী ও কচুয়া উপজেলার উজানি গ্রাম।

এ বিষয়ে আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধরী বলেন, সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান মাত্র ৬ ঘণ্টা। ৬ ঘণ্টা ব্যবধানের জন্য রোজা ও ঈদ পালনে বাংলাদেশে একদিন/দুইদিন ব্যবধান হতে পারে না।

ঈদের নামাজ শেষে বৈশ্বিক মহামারী থেকে বিশ্ব উম্মাহকে রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads