• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭
ads
নরসিংদীর মেঘনা নদীতে নৌ-ভ্রমণে গিয়ে দুই পক্ষের মারামারি, এক স্কুলছাত্র নিহত

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

নরসিংদীর মেঘনা নদীতে নৌ-ভ্রমণে গিয়ে দুই পক্ষের মারামারি, এক স্কুলছাত্র নিহত

  • নরসিংদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৫ আগস্ট ২০২০

নরসিংদীতে ঈদ উপলক্ষে মেঘনা নদীতে নৌ ভ্রমণে গিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে অনিক মিয়া (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় সন্দেহভাজন ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার নাগরিয়াকান্দি এলাকায় শেখ হাসিনা সেতুর নিচে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোর অনিক সদর উপজেলার কালাই গোবিন্দপুর এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার ছেলে ও সাটিরপাড়া কালিকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। শহিদুল্লাহ মিয়া সপরিবারে নরসিংদী শহরের সাটিরপাড়া এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন।

নিহতের মামা সবুজ মিয়া জানান, ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার মেঘনা নদীতে নৌকা ভ্রমণে যায় অনিকসহ অন্যান্য সঙ্গীরা। ফেরার পথে অপর একটি নৌকার লোকজনের সাথে ডেক সেট গান বাজানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। দুটি নৌকা নাগরিয়াকান্দিস্থ শেখ হাসিনা সেতুর নিচে এসে পৌছলে দুই পক্ষই লাঠিসোঠা নিয়ে মারামারি শুরু করে। এসময় প্রতিপক্ষরা মাথায় আঘাত করলে পানিতে পড়ে ডুবে নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্র অনিক। উপস্থিত লোকজন দীর্ঘ সময় খোঁজাখুজির পর তাকে নদী থেকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

এদিকে আনন্দ ভ্রমণের সময় দুই নৌকার লোকজনের মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আলকাস হোসেন সুজন প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দেখা যায় দুই পক্ষ লাঠি, বাঁশ ও কাঠ নিয়ে মারামারি করছে। সেসময় নদীতে এক কিশোরের মাথায় সজোড়ে কাঠ দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায় এক ব্যক্তিকে।

নিহত কিশোরের বাবা শহিদুল্লাহ মিয়া বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় অনিক প্রায়ই নানুবাড়ি অর্থাৎ কালাইগোবিন্দপুর যেত। গতকাল সকালেও সেখানে গিয়েছিল সে। ওই এলাকায় তার বয়সীরা নৌকাভ্রমণে গেছে খবর পেয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে আরও তিনজনের সঙ্গে সেতুর নিচে যায় সে। পরে রাতে আমরা তার মৃত্যুর খবর পাই।

নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার দত্ত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, স্কুল ছাত্র নিহতের ঘটনায় জিঞ্জাসাবাদের জন্য ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তারা এ ঘটনার সাক্ষি হতে পারে। তদন্তের সার্থে আটককৃতদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads