• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৩ কার্তিক ১৪২৭
ইউএনওর উপর হামলার দায় স্বীকার করলেন রবিউল

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

ইউএনওর উপর হামলার দায় স্বীকার করলেন রবিউল

  • দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবাননন্দি দিয়েছে রবিউল ইসলাম।

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ৩ টার সময় ইউএনও অফিসের সাবেক মালি আসামী রবিউল ইসলাম (৪২) দিনাজপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজেষ্ট্রিট আমলী আদালত-৭ এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের কাছে দায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

এ সময় সে জানায় ক্ষোভ থেকেই তিনি একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং তিনিই একমাত্র পরিকল্পানাকারী একাই হামলাকারী।

এর আগে রোববার সকাল ১০ টায় দিনাজপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তোলা হয় রবিউল ইসলামকে ।

জানা গেছে, দিনাজপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৭ এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের আদালতে তোলা হয় রবিউলকে। আদালতে তোলার ৩ ঘণ্টা পর বিচারকের সামনে স্বীকারক্তিমূলক জবাববন্দি প্রদান করেন রবিউল। জবাববন্দির পর রবিউলকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে, রাবিউল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছিলেন, এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী সে নিজেই। আক্রোশ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে। তার দেওয়া তথ্য মতে, হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবি সহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপ সহ মোবাইলের লোকেশন বিষয় গুলো আলামত হিসেবে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এসব আলামত বিচারকার্যে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্দেহ ভাজন ও প্রযুক্তির সহায়তার মাধ্যমে মাধ্যমে রবিউল ইসলামকে কে নিজ বাড়ী থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের দোষ স্বীকার করে।

গত ১২ তারিখে এ বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়ে ছিলেন রবিউল দায় স্বীকার করে জানিয়েছে এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং একমাত্র হামলাকারী সে নিজে। পরে তাকে ওই দিনেই আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালতের বিচারক তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন থেকেই রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পরে গত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। ওই দিনই তাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ, পরে তাকে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

দিনাজপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads