• মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১, ৫ মাঘ ১৪২৭
সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ দুই বছর ধরে

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ দুই বছর ধরে

  • আল-আমিন তালুকদার, ঝালকাঠি
  • প্রকাশিত ২৫ নভেম্বর ২০২০

ঝালকাঠির মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দুই বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব বন্ধ রয়েছে। ফলে গর্ভবতী মায়েদের সিজারের প্রয়োজনে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা বরিশাল বিভাগীয় সদরে যেতে হচ্ছে।

জানা গেছে, সাত লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত জেলা ঝালকাঠির সদরে অবস্থিত ২০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রায় দুই বছর ধরে এনাস্থেসিয়া চিকিৎসক নেই। এতে এই দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে এখানকার অপারেশন থিয়েটার। ফলে গর্ভবতী মায়েদের প্রয়োজনে এখানে সিজারিয়ান অপারেশন হচ্ছে না। এ ধরনের রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক অথবা বিভাগীয় শহর বরিশালে নিয়ে যেতে হয়। এতে একদিকে যেমন মোটা অংকে অর্থের প্রয়োজন, অন্যদিকে মা ও গর্ভস্থ শিশুর সুস্থ থাকা নিয়ে শংকা দেখা দেয়। তাছাড়া দরিদ্রদের পক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা জোগাড় করে অন্যত্র সেবা নেওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। এখানকার এনাস্থেসিয়া চিকিৎসক ডা: আমির হোসাইন প্রায় দুই বছর আগে উচ্চতর প্রশিক্ষণে গিয়ে কর্মস্থলে আর ফিরে আসেননি। তার পরিবর্তে কোনো ডাক্তারও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন এখানে চিকিৎসা নিতে আসা স্বল্প আয়ের মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণির গর্ভবতী মায়েরা। এই কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা শারমীন সুলতানা নামে এক নারী জানান, গত আট মাস ধরে এখানকার চিকিৎসক জোয়াহের আলীর কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। তবে স্বল্প খরচে এই কেন্দ্রে ডেলিভারির কাজ  করানোর ইচ্ছা থাকলেও এনাস্থেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন শারমীন সুলতানা।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসক ডা: জোয়াহের আলী বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এনাস্থেসিয়া চিকিৎসকের অভাবে এখানে সিজারিয়ান সেকশন বন্ধ রয়েছে। তবে এখানে রোগী দেখা ও নরমল ডেলিভারির কাজ নিয়মিতই হচ্ছে।

ঝালকাঠি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, এনাস্থেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় অনেক দিন ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। সদর হাসপালের এনাস্থেসিয়া ডাক্তার এনে বর্তমান সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে অচিরেই এপদে একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads