• শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮
সারিয়াকান্দিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলার আক্ষেপ ভোটারদের

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

সারিয়াকান্দিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলার আক্ষেপ ভোটারদের

  • তাজুল ইসলাম, সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৭ জানুয়ারি ২০২১

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে দ্বিতীয় দফার পৌরসভা নির্বাচনে প্রথম বারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট প্রদানে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেলেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় ভোট দিতে না পেরে আক্ষেপ করেছেন অনেকেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে ঘুরে সকাল ৮টা থেকে শুরু করে ভোট গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কেন্দ্রগুলো ছিল ভোটারে পরিপূর্ণ। তবে প্রায় সকল কেন্দ্রেই কমবেশি ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। পৌরসভার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১নং ভোট কেন্দ্র শালুখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা আড়াইটা থেকে ভোট গ্রহণের শেষ সময় পর্যন্ত অবস্থান করে এই চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। সেখানে ভোট দিতে না পারা আব্দুল গোফর, বকুল মিয়া, মোস্তাফিজার, মুন্টু ফকির, আমিনুল, শাহাদৎ হোসেন, শাজাহান আলী, আকালু, বিষু প্রাং, দেলোয়ার হোসেন, আমজাত, সুফী মন্তেজার, ইমারান হোসেন, ইউনুস প্রাং, মুকুল, শতবর্ষী বৃদ্ধা জমিদা বেওয়ার ছেলে সহ অনেকেই অভিযোগ করেন তারা সকাল থেকে পাঁচ ছয়বার ভোট প্রদানের জন্য ভোট কেন্দ্রে গিয়েছেন।

সেখানে তাদের ভোটার নম্বর ইভিএম মেশিনে প্রবেশ করানোর পর ছবি দেখা গেলেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না করায় ভোট দিতে পারেননি। তারা আক্ষেপ করে বলেন, আমরা যদি ভোট দিতে নাই পারি তাহলে আমরা কিসের নাগরিক, আমাদের আর কি দাম আছে? এর স্থায়ী সমাধান চেয়েছেন সকলে।

দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, তিনি বায়োমেট্টিকে মোবাইল সীম কিনতে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না করায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ফিঙ্গার আপডেট করেন। কিন্তু তারপরেও ভোট দিতে পারেননি তিনি। শতাবর্ষী বৃদ্ধার ছেলে জানান, ইভিএম মেশিনে তার মায়ের ছবি দেখা গেলেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না করায় ভোট দিতে পারেননি তার অসুস্থ্য মা।

ভোট দিতে না পারা সকলেই দাবি করেন, হয়তোবা তাদের একটি ভোটের কারণেই তাদের পছন্দেও প্রার্থীকে পরাজয় বরণ করতে হবে। সেখানে ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ১’শত ৫৮টি। এর মধ্যে ভোট পরেছে ১০ হাজার ১’শত ৮১টি এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মোননীত প্রার্থী মতিউর রহমান মতি ৬৫৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। নিকটতম প্রতিদন্দ্বী ও বিদ্রোহী প্রার্থী নারিকেল গাছ প্রতীক আলমাগীর শাহী সুমন পেয়েছেন ২ হাজার ৭’শত ৯৬ ভোট। ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক মেয়ের এর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বেবী পেয়েছেন ৪’শত ৯৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী জগ প্রতীকে আলী আজগর পেয়েছেন ৩শত ১৭টি ভোট।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads