• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ সেঞ্চুরির পর সৌম্য সরকার

ক্রিকেট

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাট করতে নামার পর সৌম্য সরকার যেভাবে ব্যাটিং শুরু করলেন, তাতে বাংলাদেশের স্কোর ২০০ বা তা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল। সৌম্যর বিদায়ের পর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেই সম্ভাবনা জিইয়ে ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ১৯৩ রানেই থামতে হয় টাইগারদের। এতে ২০০ না হলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হয়ে গেছে।

অর্ধযুগ আগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ আগের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেছিল। ২০১২ সালের ১৮ জুলাই বেলফাস্টে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ইনিংস ছিল ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানের। ওই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৭১ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ।

এরপর ২০১৩ সালে ঢাকায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৯, একই বছর পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৮১ রানের ইনিংসও খেলেছিল টাইগাররা; কিন্তু আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গিয়ে যে সর্বোচ্চ ইনিংসটা খেলেছিল, সেই বাধা যেন আর টপকাতে পারছিল না।

অবশেষে সেটা টপকানো গেলো। মজার বিষয় হলো, এই ম্যাচেই ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেছেন মুশফিকুর রহীম এবং সৌম্য সরকার। এই সংস্করণে মুশফিক এর আগে একটি হাফ সেঞ্চুরি করতে পারলেও সৌম্যর তা ছিল না। টি-টোয়েন্টিতে মুশফিকের এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল ৫০ রানের। আজ সেটাকে ছাড়িয়ে গিয়ে মুশফিক করলেন অপরাজিত ৬৬ রান। ৪৪ বলে খেলা এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চার এবং ১ ছক্কায়।

সৌম্য সরকারের এর আগে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল ৪৮। এবার সেটাকে ছাড়িয়ে গিয়ে তিনি ক্যারিয়ারে প্রথম হাফ সেঞ্চুরির মালিক হলেন। ৩২ বলে খেলা ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি বাউন্ডারি এবং ১ ছক্কায়।

জীবন মেন্ডিসের লেগস্পিনে এলবিডব্লিউ হয়ে ৫১ রানে ফিরেন সৌম্য। জীবন মেন্ডিসের ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন এ ওপেনার। উরুতে চোট নিয়ে এরপর খুঁড়িয়ে খুড়িয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। পরের বলেই উইকেটরক্ষকের দুর্দান্ত ক্যাচে শূন্য করে সাজঘরে ফেরেন অভিষিক্ত আফিফ হোসেন।

টানা দুই উইকেট হারিয়ে তখন কিছুটা বিপদে বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে দুর্দান্ত এক জুটিতে সেই বিপদ কাটিয়ে উঠেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মুশফিকুর রহীম। লঙ্কান বোলারদের রীতিমতো তুলোধুনো করে ৭৩ রান যোগ করেন এ যুগল।

সৌম্য সরকারের পর মাত্র ৩৭ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিকুর রহিমও। তবে ফিফটির আশা জাগিয়েও সাজঘরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। বাঁ-হাতি পেসার ইসুরু উদানাকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন ৪৩ রানে। ৩১ বলের ইনিংসে টাইগার অধিনায়ক ২টি করে চার-ছক্কা হাঁকান।

এরপর সাব্বির রহমান ফিরেন ১ রান করে। তবে শেষ পর্যন্ত দলের হাল ধরে ছিলেন মুশফিক। আরিফুল হক অপরাজিত থাকেন ১ রানে। এর আগে তামিম ইকবালের অনুপস্থিতিতে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করেন জাকির হাসান। অভিষেক ম্যাচে খুব একটা ভালো করতে পারেননি তিনি। ৯ বলে ১০ রান করে দানুষ্কা গুনাথিলাকার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন এ ওপেনার।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads