• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ক্রিকেট

ফিক্সিংয়ে যুক্ত ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০৭ এপ্রিল ২০১৮

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বল টেম্পারিং ইস্যু এখনো শেষ হয়নি। তিন অজি ক্রিকেটারের শাস্তি নিয়ে আলোড়ন কিছুটা কমে গেলও বন্ধ হয়নি আলোচনা। এর মধ্যে বোমা ফাটাল ভারতের গণমাধ্যম, এতে উন্মোচিত হতে পারে আরো বড় বির্তকের দরজা। তাদের দাবি, ম্যাচ ফিক্সিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে কথিত সংযোগের অভিযোগে এক ভারতীয় ক্রিকেটারকে নিয়ে গভীর তদন্ত চলছে। যদিও ওই ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেনি ভারতীয় গণমাধ্যম। তাদের দেওয়া সূত্র মতে, অভিযুক্ত ক্রিকেটার ভারতের ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য। দেশের হয়ে খেলেছেন ক্রিকেটের সবগুলো ফরম্যাট। এবং তিনি বর্তমানে জাতীয় দলের বাইরে আছেন।

খবরটি ‘ব্রেক’ করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। পত্রিকাটি জানিয়েছে, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ভারতের জয়পুরে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের আয়োজন করে ওই ম্যাচ ফিক্সিং চক্রটি। রাজপুতানা প্রিমিয়ার লিগ (আরপিএল) সরাসরি সম্প্রচার করেছিল নিও স্পোর্টস। সেই লিগে অদ্ভুত সব ঘটনার কারণে সন্দেহ বাড়তে থাকে। পরে রাজস্থান পুলিশ তদন্তে নামে। তাতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। আরপিএল নামের এই টুর্নামেন্টটি চালাচ্ছে একটি সংগঠিত ক্রিকেট জুয়াড়ি চক্র। এদের প্রধানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ওই ক্রিকেটারের।

এই ম্যাচ ফিক্সিং ঘটনায় ভারতীয় জাতীয় দলের ক্রিকেটারের যোগ থাকার ব্যাপারে পুলিশ কিছু না জানালেও তাদের হাতে বেশ কিছু কল রেকর্ড আছে বলে খবরে প্রকাশ করা হয়। আর এগুলোই প্রমাণ করতে পারে ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে সেই ক্রিকেটার জড়িত।

বিষয়টি এখনো ছোট স্ফুলিঙ্গ হয়ে আছে। তবে যেকোনো সময় তা দাবানল আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় অপরাধ তদন্তে বিভাগ (সিআইডি) বিষয়টি তদন্ত করছে।

সেই ক্রিকেটারকে আরপিএল চলার সময় দেখাও গিয়েছিল। টুর্নামেন্টটি সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দেয় ১ বলে ১২ রান লাগে এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং দল অদ্ভুতভাবে জিতে যাওয়ায়। শেষ বলটি করতে বোলার লেগ সাইডের অনেক বাইরে বল করেন। ওয়াইড-চার থেকে আসে ৫ রান। পরের বলটি কোমরের ওপরে করে দেন ‘নো’। ব্যাটসম্যান তাতে ১ রান দৌড়ে নেন। আসে ২ রান। ফ্রি হিটের সংকেত দেন আম্পায়ার। পরের বলটি আবারো লেগের অনেক বাইরে ওয়াইড-চার দেন বোলার! ১ বলে ১২ রানের সমীকরণ মিলিয়ে জিতে যায় ব্যাটিং দল!

এ নিয়ে তখন তীব্র আলোচনা-সমালোচনা হলে, রাজস্থান পুলিশকে তদন্তের অনুরোধ করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। পুলিশ তখন ১৪ জনকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারের নাম উঠে আসে। আটক ব্যক্তিরা অবশ্য এখন সবাই জামিনে মুক্ত।

২০১৭ সালের নভেম্বরে মামলাটি পরিচালনার ভার পায় সিআইডি। ওই ক্রিকেটার এসবের সঙ্গে সরাসরি কতটা জড়িত এখনো তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধীরে ধীরে তদন্ত নতুন মোড় নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ম্যাচ পাতানো এই চক্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বা নামকরা কেউ জড়িত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এ ব্যাপারে আকসু অনেক আগেই বিসিসিআইকে সর্তক করেছিল। কিন্তু সবকিছু বিসিসিআইয়ের নিয়ন্ত্রণেও নেই।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads