• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
প্রত্যয়ী শান্ত

তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত

সংরক্ষিত ছবি

ক্রিকেট

প্রত্যয়ী শান্ত

  • স্পোর্টস রিপোর্টার
  • প্রকাশিত ১৬ মে ২০১৮

শুরুর দিকে ছিলেন অলরাউন্ডার। তবে এখন ব্যাটিংয়েই মূল মনোযোগ। সুযোগ পেলে বল করতেও আপত্তি নেই। কিন্তু লক্ষ্যটা উঁচু, উপরের দিকে ব্যাট করা। তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেন করতে পারলে মন্দ হয় না। জাতীয় দলের হয়ে মাত্র একটি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও তিন ফরম্যাটেই প্রত্যয়ী তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত।

আফগান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজের জন্য ১৯ বছর বয়সী শান্ত জায়গা পেয়েছেন প্রাথমিক দলে। চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাজশাহীর এই ক্রিকেটার জায়গা পাবেন কি পাবেন না, তা নিয়ে সংশয় থাকলেও প্রস্তুতিতে ঘাটতে নেই তার। দিনের পর দিন নিজেকে শানিত করে যাচ্ছেন তিনি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে এখন অভিজ্ঞদের সঙ্গে অনুশীলন করছেন শান্ত। শুরুর দিকে ফিটনেসেই জোর দেওয়া হচ্ছে বেশি। এ প্রসঙ্গ গতকাল মিরপুরে তিনি বলেন, ‘ফিটনেস নিয়ে কাজ করা অবশ্যই কঠিন। তবে আমরা সবাই উপভোগ করছি। ফিটনেস সেশনে সবাই সবাইকে সহায়তা করে।’ অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে বেশ ভালো খেলা শান্ত আগের ফিটনেস ধরে রাখতে মরিয়া, ‘আমার ফিটনেস যেমন ছিল, যদি তা ধরে রাখতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে সব কিছু আমার জন্য সহজ হবে।’

জাতীয় দলের হয়ে একটি মাত্র টেস্ট খেলেছেন শান্ত। সেটাও গত বছরের জানুয়ারিতে ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। মিডলঅর্ডারে ব্যাট হাতে অভিষেক টেস্টে করেছিলেন ১৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২। বোলিংয়ে মাত্র চারটি বল করার অভিজ্ঞতা সেই টেস্টে। সব মিলিয়ে সেই টেস্টের পর প্রায় চলে গেছে দেড়টি বছর। নিজেকে পরিণত হওয়া প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘প্রথম টেস্ট খেলার পর অনেক কিছু বুঝতে পেরেছি। টেস্ট কীভাবে খেলা উচিত, তা বুঝেছি এবং ঘরোয়া পর্যায়ে সেভাবেই খেলার চেষ্টা করেছি। আশা করছি, সামনে সুযোগ পেলে ভালো কিছু করতে পারব।’

কোন পজিশনে ব্যাট করতে নিজেকে উপযুক্ত মনে করেন। এমন প্রশ্নে শান্ত বলেন, ‘উপরের দিকে তামিম ভাইয়ের সঙ্গে এখনো কেউ ঠিকভাবে সেট হয়নি। আমি অবশ্য বলছি না যে, আমি সেখানেই জায়গা করে নেব। আমার উদ্দেশ্য হলো নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। যেকোনো আসরে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো খেলার চেষ্টা করা।’ জাতীয় দলের হয়ে তিন ফরম্যাটেই নিজেকে উপযুক্ত বলে মনে করেন শান্ত, ‘অবশ্যই বিশ্বাস করি। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে স্ট্রাইকরেট ভালো ছিল না। কিন্তু যখন চিন্তা করলাম, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেতে হলে স্ট্রাইকরেট খুব ভালো রাখতে হবে। ওভাবেই প্রিমিয়ার লিগ ও অন্যান্য ঘরোয়া আসরে খেলছি। আমি বিশ্বাস করি, তিন ফরম্যাটেই আমি খেলার যোগ্যতা রাখি এবং সেই উদ্দেশ্যেই অনুশীলন করে যাচ্ছি।’

সিনিয়রদের অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘সিনিয়রদের সঙ্গে সব সময়ই খেলা নিয়ে কথা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে কী ধরনের মানসিকতা দরকার, সবকিছু কীভাবে সহজ হয়ে আসতে পারে, তা নিয়ে কথা হয়। প্রিমিয়ার লিগে মাশরাফি ভাই, নাসির ভাই ছিলেন, তারা অনেক অনুপ্রাণিত করেছেন।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যেতে পারেন, তাহলে কী করবেন। সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি শান্তর, ‘অবশ্যই পারফর্ম করতে চেষ্টা করব। এতে জাতীয় দলে আমার জায়গা নিশ্চিত হবে। যদি সুযোগ পাই, জায়গাটা ধরে রাখতে চাইব। সেভাবেই মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads