• শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
রেকর্ডের পাতায় তাইজুল

দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট শিকারি বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম

সংগৃহীত ছবি

ক্রিকেট

রেকর্ডের পাতায় তাইজুল

  • স্পোর্টস রিপোর্টার
  • প্রকাশিত ০৬ নভেম্বর ২০১৮

সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম দুটি রেকর্ডের তালিকায় নিজের নাম জড়ালেন। টেস্ট উইকেট শিকারে তিনি এখন বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। আর এক টেস্টে দশ কিংবা তার বেশি উইকেট লাভকারী বাংলাদেশি বোলারদের চারজনের তালিকায়ও চলে এলেন এই বাঁ হাতি বোলার তাইজুল।

সিলেটের অভিষেক টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১০৮ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশের তাইজুল। আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬২ রানে ৫ উইকেট লাভ করেন নাটোরে জন্ম নেওয়া ২৬ বছর বয়সী এই বোলার। এক টেস্টে ১১ উইকেট শিকারে মাত্র ২০ টেস্টে ২০১৪ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়া তাইজুলের উইকেটসংখ্যা হলো ৮০টি। তার ওপরে রয়েছেন বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও সাবেক তারকা মোহাম্মদ রফিক। এই টেস্টের আগে তৃতীয় স্থানে ছিলেন বাংলাদেশের বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। রফিকের সঙ্গে না হলেও সাকিবের সঙ্গে তাইজুলের উইকেটের ব্যবধান অনেক। তাই সিলেট টেস্টে শুধুমাত্র মাশরাফিকে ডিঙিয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল তাইজুলের। গতকাল সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে তাইজুল সেই কাজটা করে ফেললেন। ছাড়িয়ে গেলেন মাশরাফিকে। সাকিব ৫৩ টেস্টে ১৯৬ উইকেট নিয়ে সেরা স্থানে রয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক লেগস্পিনার রফিক ৩৩ টেস্টে নিয়েছেন ১০০ উইকেট। তাইজুল হয়তো খুব সময় নেবেন না রফিককেও ছাড়িয়ে যেতে। মাশরাফি এখন আর টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন না। তিনি ৩৬ টেস্টে উইকেট পেয়েছেন ৭৮টি। সাকিব, রফিক, তাইজুল ও মাশরাফির পর পঞ্চম স্থানে রয়েছেন শাহাদাত হোসেন। শাহাদাত ৩৮ টেস্টে ৭২টি উইকেট লাভ করেছেন। শাহাদাত টেস্ট না ছাড়লেও এখন রয়েছেন লঙ্গার ভার্সনের দলের বাইরে। 

এদিকে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২টি করে উইকেট শিকারি বাংলাদেশি দুই বোলার হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও এনামুল হক জুনিয়র। তাদের পরই রয়েছেন তাইজুল। মিরাজ ২০১৬ সালের অক্টোবরে ঢাকা টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫৯ রানের বিনিময়ে ১২টি উইকেট লাভ করেছিলেন। এনামুল ২০০৫ সালে ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২০০ রানে ১২টি উইকেট নিয়েছিলেন। তাইজুল এবার ১৭০ রানে নিলেন ১১টি উইকেট। আর সাকিব ২০১৪ সালে খুলনা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১২৪ রানে ১০টি এবং ২০১৭ সালে ঢাকা টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫৩ রানে ১০টি উইকেট লাভ করেছিলেন।

তাইজুল এবারের এই কৃতিত্ব ছাড়াও ২০১৪ সালে ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৯টি, চলতি বছর ঢাকা টেস্টে ১৫৯ রানে ৮টি, ২০১৪ সালে খুলনা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৪০ রানে ৬টি, ২০১৫ সালে খুলনা টেস্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৬৩ রানে ৬টি উইকেট লাভ করেন। তাইজুল ২০১৪ সালে ঢাকা টেস্টে যে ৯টি উইকেট পান, তার ৮টি ছিল প্রথম ইনিংসে। আর ওই ৮টি উইকেট তিনি নিয়েছিলেন মাত্র ৩৯ রানে, যা বাংলাদেশের এক ইনিংসে সেরা বোলিং ফিগার।

তাইজুলের সামনে এখন অনেক সময় পড়ে রয়েছে। তাই তিনি আরো অনেক উইকেট লাভ করে নিজের ও বাংলাদেশের টেস্ট ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করবেন, সে প্রত্যাশা সবার।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads