• শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
ads
সাকিবের নৈপুণ্যে

ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেট

সাকিবের নৈপুণ্যে

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

 

বল হাতে মেডেন ওভারে শুরু। পরের ওভারগুলোতেও বোলিং হলো দারুণ নিয়ন্ত্রিত। এরপর ব্যাট হাতেও অবদান রাখলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু এবারের সিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচে ‌এমন অলরাউন্ড পারফরম্যান্সও যথেষ্ট হলো না দলের জয়ের জন্য। গতকাল রোববার রোমাঞ্চকর ম্যাচে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের কাছে ১ রানে হেরেছে সাকিবের বারবাডোজ ট্রাইডেন্টস।

নতুন বল হাতে ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ১টি উইকেট নিয়েছেন সাকিব। পরে খেলেছেন ২৫ বলে ৩৮ রানের ইনিংস। হারলেও বারবাডোজের প্লে­অফের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি এখনো।

ম্যাচের প্রথম ওভারেই বোলিং পেয়েছিলেন সাকিব। দেননি কোনো রান। পাওয়ার প্লে­-তে ২ ওভারের প্রথম স্পেলে দেন ৪ রান। তৃতীয় ওভারে দেন ৬ রান। শেষ ওভার বোলিংয়ে আসেন ১৭তম ওভারে। প্রথম বলেই আর্ম ডেলিভারিতে ফেরান প্রতিপক্ষ অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে। ওই ওভারেও দেন কেবল ৪ রান।

সেন্ট কিটসের শামারাহ ব্রুকস ৩৩ বলে করেন ৫৩ রান। শেষদিকে ১৩ বলে ২০ করেন ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। ২০ ওভারে তোলে তারা ১৪৯ রান।

রান তাড়ায় বারবাডোজ তৃতীয় ওভারে হারায় ওপেনার জনসন চার্লসকে। সাকিব নামেন তিনে। উইকেটে যাওয়ার পরপরই হাফিজকে টানা দুই বলে মারেন চার ও ছক্কা।

বাংলাদেশ অধিনায়ক এগিয়ে যাচ্ছিলেন স্বচ্ছন্দেই। কিন্তু ব্র্যাথওয়েটকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ইনিংস শেষ হয় লং অনে ক্যাচ দিয়ে।

সাকিবের ৩৮ রানই হয়ে থাকে দলের সর্বোচ্চ। ওপেনিংয়ে অ্যালেক্স হেলস ১৯ রান করতে খেলেন ২২ বল। আটে নেমে রেমন রিফার ৩ ছক্কায় ১৮ বলে করেন ৩৪।

শেষ ওভারে সাকিবদের দরকার ছিল ১২ রান। বাঁহাতি পেসার ডমিনিক ড্রেকসের করা ওভারের প্রথম বলটি ছিল ওয়াইড। পরের বলে ছক্কা মারেন রিফার।

কিন্তু এরপর ৫ বলে ৫ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি বারবাডোজ। দ্বিতীয় বলে রান আউট হয়ে যান রিফার। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ২ রান। ড্রেকস বোল্ড করে দেন হ্যারি গার্নিকে। ১ রানের জয়ে প্লে­অফ নিশ্চিত করে ফেলে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads