• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)

সংরক্ষিত ছবি

নির্বাচন

রাজশাহী সিটি নির্বাচন

প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

  • রাজশাহী ব্যুরো
  • প্রকাশিত ১৫ জুলাই ২০১৮

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে জয় পেতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী। তবে আওয়ামী নেতাকর্মী ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বুধপাড়া নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বুধপাড়ার নজিরের মোড়, সেলিমের মোড়, জনাবের মোড়, মধ্য বুধপাড়া, পশ্চিম বুধপাড়া, পশ্চিম বুধপাড়া মসজিদের মোড়, স্কুল মোড় এলাকায় গণসংযোগ করেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গণসংযোগের পাশাপাশি ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন সাবেক এই মেয়র।

প্রচারণাকালে ১৪ দল সমর্থিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে নগরীতে শিল্পায়নের মাধ্যমে এক লাখ ছেলে-মেয়ের চাকরির ব্যবস্থা করব। গত পাঁচ বছরে পিছিয়ে যাওয়া রাজশাহীতে ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। আমাকে ভোট দিন, মেয়র নির্বাচিত হলে উন্নয়ন বুঝে নেবেন।’ গণসংযোগের সময় ৩০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি রাব্বেল হাসানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ২টার দিকে মাসকাটাদিঘি এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন লিটন। সভা শেষে মাসকাটাদিঘি এবং বুধপাড়া এলাকার মানুষের বাড়ি বাড়ি যান ও ভোট চান।

অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এ দিন সকাল ৮টা থেকে ২৮ নম্বর এবং বিকালে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, পুঠিয়া-দুর্গাপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা, কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ মহানগর ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা। বুলবুলসহ নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোট চান।

গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সামনে বুলবুল বলেন, ‘বিভিন্ন ওয়ার্ডে আমার পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন সরকারদলীয় প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা ছিঁড়ে ফেলছে। পুলিশ কোনো মামলা ছাড়াই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠাচ্ছে। রাতের অন্ধকারে নেতাকর্মীদের বাড়িতে রেইড দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে। প্রচার-প্রচারণা চালাতে প্রতিনিয়ত বাধা দিচ্ছে। এই অবস্থা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে কোনো লাভ হচ্ছে না।’ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তিনি অতিউৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানান।

বিএনপি নেতা মিনু বলেন, ‘সরকারদলীয় প্রার্থীর নিশ্চিত পরাজয় জেনে সরকার এখন বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার এবং ভয় দেখিয়ে এলাকা থেকে বিতাড়িত শুরু করেছে। যতই নির্যাতন, খুন ও গুম করা হোক নেতাকর্মীরা নির্বাচন থেকে পিছু হটবে না।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads