• মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকা পক্ষপাতমূলক

কামালের সাথে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সাক্ষাৎ

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন

ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে ড. কামাল

প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকা পক্ষপাতমূলক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২০ নভেম্বর ২০১৮

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বর্তমান প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকা পক্ষপাতমূলক। এখনো নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি। গতকাল তার বেইলি রোডের বাসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। গতকাল বিকালে তারা প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন। 

বৈঠকে শেষে ড. কামাল হোসেন বলেন, বৈঠককালে ব্রিটিশ হাই কমিশনার তার কাছে জানতে চান নির্বাচনের পরিবেশ কেমন। জবাবে তিনি ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে জানিয়েছেন, ফ্রন্ট আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চেয়েছিল একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। কিন্তু সরকার তা মানেনি। এরই মধ্যে নির্বাচনকমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে। এরপরও ফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ফ্রন্ট এখনো সাত দফা দাবিতে অটল রয়েছে। আগে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল। তারপর একটি জাজমেন্ট দিয়ে সরকার তা বাতিল করে দেয়। সেখান থেকেই সমস্যার শুরু হয়েছে।

ফ্রন্টের নিরপেক্ষ সরকারের যে দাবি তার ব্যাখ্যা করে ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে ড. কামাল জানিয়েছেন, নিরপেক্ষ সরকার মানেই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী যদি রেফারির ভূমিকা পালন করে আর পুলিশ প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে তো ফেয়ার ইলেকশন হয় না।

ড. কামাল বলেন, হাইকমিশনারের কাছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে যে, ৫ জানুয়ারির পর নির্বাচিত সরকার না থাকার কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান সরকার বলেছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচন দেওয়া হবে। সেই দ্রুততম সময় পাঁচ বছরে শেষ হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ হাইকমিশনার বৈঠক করেন যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে।

অপরদিকে গত ১৮ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইইউভুক্ত দেশগুলোসহ ২০ থেকে ২৫টি দেশের কূটনীতিক ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সেদিন জোটের সাত দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের ভাবনার বিষয়টি কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads