• রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৪
ads
মার্চ থেকে উপজেলা নির্বাচন

লোগো উপজেলা নির্বাচন

নির্বাচন

মার্চ থেকে উপজেলা নির্বাচন

সংরক্ষিত মহিলা আসনের তফসিল আগামী সপ্তাহে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ জানুয়ারি ২০১৯

আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। এ ছাড়া আগামী সপ্তাহে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে সারা দেশে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। কয়েকটি ধাপে এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে।

কতটি ধাপে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, এমন প্রশ্নে ইসি সচিব বলেন, ৬, ৭ কিংবা ৮ ধাপে হবে। যদিও এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী কমিশন সভায় এসব নিয়ে আলোচনা হবে। তার পরে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি, এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা ও মে মাসের শেষে রমজান। তাই রমজানের আগেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ করতে চাই। উপজেলা নির্বাচনেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। তবে কী পরিসরে তা ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রবাসীদের ভোটার করার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের ভোটার করার কাজ শুরু করা হবে আগামী এপ্রিল মাসে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে সিঙ্গাপুরে যেসব বাংলাদেশি থাকেন, তাদের ভোটার করা হবে। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এ জন্য একটি টিম সিঙ্গাপুরে যাবে। এরপর দুবাইয়ে প্রবাসীদের ভোটার করার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় নির্বাচনের আসনভিত্তিক এবং কেন্দ্র্রভিত্তিক ফলাফল চেয়ে ইসির কাছে আবেদন করেছে। ইসির কাছে আসনভিত্তিক ফলাফল আছে, তবে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল এখন পর্যন্ত নেই। নির্বাচন কমিশন যেভাবে নির্দেশনা দেবে ঐক্যফ্রন্টকে সেভাবে তাদের চাওয়া অনুযায়ী তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবে ইসি সচিবালয়।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আগামী সপ্তাহে সংরক্ষিত মহিলা আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসন অনুসারে সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে এবার আওয়ামী লীগ ৪৩টি, জাতীয় পার্টি চারটি, বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একটি এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল মিলে দুটি আসন পাবে।

তবে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা যদি শপথ না নেন, তাহলে তো আর একটি সংরক্ষিত আসনও পাওয়ার সুযোগ থাকছে না। এ ছাড়া স্বতন্ত্র এমপিরা যদি কোনো জোটে যোগ না দেন, তাহলে তারাও পাবেন না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads