• মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
চতুর্থ দফার ভোট শেষ

উপজেলা নির্বাচন

প্রতীকী ছবি

নির্বাচন

চতুর্থ দফার ভোট শেষ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০১ এপ্রিল ২০১৯

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চতুর্থ দফার ভোট গতকাল রোববার শেষ হয়েছে। দিনভর বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল বেশ কম। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া গতকালের ভোটে নানা ঘটনা ঘটেছে। গোলযোগের কারণে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় জাল ভোট দিতে সহযোগিতাসহ নানা অনিয়মে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ একাধিক কর্মকর্তাকে আটক এবং কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

চতুর্থ ধাপে ১০৭টি উপজেলা পরিষদে গতকাল ভোট নেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় এই ধাপেও ৩৯টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। আর চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান- এই তিন পদের কোনোটিতেই প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ১৫টি উপজেলা পরিষদে ভোটেরই দরকার হয়নি।

কেন্দ্রে ঘটে সংঘাত এবং নানা অনিয়ম। অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত করে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতের কথা জানানো হয়।

এদিকে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলের বাসাইলের দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। জেলার মির্জাপুরে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে দুজনকে আটক করে পুলিশ।

ধামরাইয়ের কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গত ২৪ মার্চ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে জানায় পুলিশ। এ তথ্য তিনি গোপন রেখেছিলেন। এই অভিযোগে বাশারকে গ্রেফতার করেন নির্বাহী হাকিম প্রণব কুমার ঘোষ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads