• শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
আমতলীতে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা

আসন্ন আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শনিবার দুপুরে পুজাখোলা গ্রামে নির্বাচনী সহিংসতায় ঘোড়া মার্কার সমর্থকদের পিটিয়ে আহত করেছে নৌকা মার্কার কর্ম-সমর্থকরা

ছবি : বাংলাদেশের খবর

নির্বাচন

আমতলীতে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা

#আহত- ১৫ #বাড়ী-ঘর ভাংচুর #মালামাল লুট #আটক ৪

  • আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৩ জুলাই ২০১৯

আসন্ন আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দু’চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে।

আজ ১৩ জুলাই, আসন্ন আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূজাখোলা গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা কালে এঘটনা ঘটে।

এ সময় আশ্রয় দেয়ার অপরাধে ঘটনাস্থলের একটি বাড়ী ভাংচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ ৪ জনকে আটক করে ।

পত্যক্ষদর্শী জানান, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাহার উদ্দিন মৃধার ছোট ভাই মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধার নেতৃত্বে ঘোড়া মার্কার কর্মী- সমর্থকদের নিয়ে পূজাখোলা গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা যায়। এ সময় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থীর শতাধিক কর্মী- সমর্থকরা তাদের প্রার্থীর পোস্টার ছিড়ার অযুহাতে ধাওয়া করে। আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা দৌড়ে পার্শ্ববর্তী দেলোয়ার হোসেনের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়। এ সময় দেলোয়ার শাহ্ বাড়ীর সামনের দরজা ভেঙ্গে ও পিছনের বেড়ার টিন খুলে ঘরে প্রবেশ করে নৌকা মার্কার কর্মী হাবিব গাজী, জসিম, নুরজামাল, কামাল হাওলাদার, দুলাল হাওলাদার, শাহীন, ফরিদ, রিপন খান, আজাদ, সুজনসহ প্রায় শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র রামদা-ছেনা, লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা করে প্রার্থীর ভাই খোকন মৃধাকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে।

আহত জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা বলেন, আমি আমার বড় ভাই ঘোড়া মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাহার উদ্দিন মৃধার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে আজ দুপুরে পূজাখোলা গ্রামে যাই। এ সময় নৌকা মার্কা প্রার্থীর শতাধিক সমর্থকরা আমাদের কোন কারন ছাড়াই লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। আমরা দৌড়ে পার্শ্ববর্তী দেলোয়ার শাহার বাড়ীতে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে আমাকেসহ ১০জন কর্মীকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে।

অপরদিকে এ ঘটনায় নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধা বলেন, আমার ৬ জন সমর্থক বাবুল, সুলতান, বজলু গাজী, জসিম উদ্দিন, নাজমুল ও আজাদ আহত করেন। তিনি আরো বলেন, আমার ২টি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করেছে।

আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, আমার ছোট ভাই খোকন মৃধার নেতৃত্বে নির্বাচনের প্রচারণা চালানোর জন্য পূজাখোলা গ্রামে গেলে নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধার নেতৃত্বে শতাধিক নৌকার সন্ত্রাসীরা হামলা করে আমার ভাইসহ আমার ১০ কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় আমার ভাই ও তার সাথে কর্মীদের আশ্রয় দেয়ার অপরাধে দেলোয়ার হোসেন শাহ্ বসতঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করে।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আবুল বাশার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শান্তি শৃংঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন স্পটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িত থাকার সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads