• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

পুনঃভর্তি পরীক্ষায় বাদ উত্তীর্ণদের অর্ধেক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

পুনঃভর্তি পরীক্ষায় বাদ উত্তীর্ণদের অর্ধেক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২০ নভেম্বর ২০১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসের কারণে বাতিলের পর পুনঃভর্তি পরীক্ষায় প্রথম দফায় উত্তীর্ণদের প্রায় অর্ধেকই বাদ পড়েছেন। গতকাল সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন এই ইউনিটের পুনঃপরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমবার উত্তীর্ণ মোট ১৮ হাজার ৪৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ১৬ হাজার ১৮১ জন গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় বসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এদের মধ্যে নয় হাজার ৮৮৬ জন পাস করেছেন। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ১০ শতাংশ। উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে এক হাজার ৬১৫ জন শেষ পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত এই ইউনিটের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল ও ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইট ধফসরংংরড়হ.বরং.ফঁ.ধপ.নফ থেকে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া যেকোনো অপারেটরের মোবাইল ফোন থেকে উট ঐেঅ ˂ৎড়ষষ হড়˃ টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে। ‘ঘ’ ইউনিটের প্রথম দফা ভর্তি পরীক্ষা হয় গত ১২ অক্টোবর। সেদিন পরীক্ষা শুরুর পৌনে এক ঘণ্টা আগে হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের ১৪টি ছবি এক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্তের পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি স্বীকার করে নিলেও ওই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায় ‘ঘ’ ইউনিটের প্রথম ১০০ জনের তালিকায় থাকা অন্তত ৭০ জন ভর্তিচ্ছু অন্য ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণই হতে পারেননি। আইন বিভাগের এক ছাত্র ফল বাতিলের দাবিতে অনশন শুরু করলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সরব হয়ে ওঠেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদও ‘ঘ’ ইউনিটের ফল বাতিলের দাবিতে সংহতি জানায়। ওই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হওয়া এক শিক্ষার্থীর বাবা ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগও নতুন করে পরীক্ষা নেওয়াসহ চার দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয়। এর মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ঘোষিত ফলাফলে উত্তীর্ণ ১৮ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থীকে নতুন করে পরীক্ষা করার ঘোষণা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads