• শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
জাবির তিন বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ স্থগিত

ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষা

জাবির তিন বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ স্থগিত

  • জাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৩ জানুয়ারি ২০১৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৩টি বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বিভাগগুলো হলো- প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, সরকার ও রাজনীতি এবং চারুকলা বিভাগ। সেই সঙ্গে গত ৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত প্রভাষক পদে নিয়োগের (প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ২টি, সরকার ও রাজনীতি বিভাগে ২টি এবং চারুকলা বিভাগে ১টি) সার্কুলার জারির কার্যক্রমও স্থগিত করেছেন আদালত।

গতকাল বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।

কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি রুলও জারি করেছেন আদালত। রুলে ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যানকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও এবং অনার্স ও মাস্টার্স-এ ভালো রেজাল্ট থাকা সত্বেও শুধুমাত্র এসএসসি ও এইচএসসি-তে উল্লেখিত পরিমাণ জিপিএ না থাকবার কারণে তারা প্রভাষক পদে আবেদনেরই সুযোগ পাননি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা। তাই সংক্ষুব্ধ হয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক ছাত্র গাজী ইব্রাহিম আল মামুন ও মো. শহিদুল ইসলাম রিট দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, ৮ নভেম্বরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রভাষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিচালিত সকল নিয়োগ কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে প্রথম বিভাগ ও গ্রেডিং পদ্ধতিতে বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখায় জিপিএ ৪.২৫ এবং মানবিক শাখায় জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২ মার্চ ২০১০ তারিখের প্রজ্ঞাপনে জিপিএ ৩.০০ বা তদূর্ধ্ব-কে সনাতন পদ্ধতির প্রথম বিভাগ উল্লেখ করে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়। অথচ ওই প্রজ্ঞাপন না মেনে উল্লেখিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads