• মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
অধ্যক্ষের ভুল তথ্যে ২৩ শিক্ষকের চাকুরী অনিশ্চয়তা!

গাজীপুরের কালীগঞ্জ সরকারী শ্রমিক কলেজ

ছবি : বাংলাদেশের খবর

শিক্ষা

কালীগঞ্জ সরকারী শ্রমিক কলেজ

অধ্যক্ষের ভুল তথ্যে ২৩ শিক্ষকের চাকুরী অনিশ্চয়তা!

  • কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৫ মে ২০১৯

গাজীপুরের কালীগঞ্জ সরকারী শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়ার ভুল তথ্যে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৩ শিক্ষকের চাকুরী সরকারীকরণের জটিলতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ওই শিক্ষকদের চাকুরীও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

বুধবার সকালে ভূক্তভোগী শিক্ষকবৃন্দ অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে ওই অধ্যক্ষসহ যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের ওপর ক্ষুব্ধ হন। এ সময় তারা সাংবাদিকদের কাছে চাকুরী অনিশ্চয়তার বিষয়টি জানান।

এদিকে, কলেজে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিক। এ সময় তিনি ভূক্তভোগী শিক্ষক, যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ও অধ্যক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে তিনি সবাইকে নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের প্রতি অনুরোধ করেন। পাশাপাশি তিনি ভূক্তভোগী শিক্ষকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

ভূক্তভোগী শিক্ষকরা জানায়, ২০১৭ সালে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজটি সরকারীকরণ করা হয়। এখানে ৪৪ জন এমপিওভূক্ত শিক্ষক রয়েছে। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরকারীকরণের পর থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক ওই সংখ্যক শিক্ষকের সরকারীকরণের জন্য শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক শিক্ষকদের বিভিন্ন তথ্য চেয়ে একটি ফরম প্রেরণ করা হয়। যাতে ওই শিক্ষকদের সরকারীকরণের জন্য বিভিন্ন প্রকার তথ্য চাওয়া হয়। পরে এ ব্যাপারে শ্রমিক কলেজ অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়া কলেজের ৫ শিক্ষকদের দিয়ে একটি যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করেন। সেই যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যসহ কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ওই ফরমে ২৩ শিক্ষকের ভুল তথ্য দিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করেছে বলে জানান ভূক্তভোগীও ওই শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে সরকারী শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়া বলেন, ভূক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগ সত্য নয়। তবে বিষয়টি আমলে নিয়ে তাদের তথ্য ফরম পূনরায় যাচাই-বাচাই করা হবে। এতে যদি কোন ভুল-ত্রুটি পাওয়া যায় সেগুলো সংশোধন করা হবে।

কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিক বলেন, উভয় পক্ষের কথা শুনেছি। কয়েকজনের বক্তব্যে কিছুটা সত্যতাও মিলেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু সরকারী তাই ভূক্তভোগী শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগ করতে বলেছি। অভিযোগ পেলে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads