• মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬
ads
উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে জাবিতে ‘সর্বাত্মক’ ধর্মঘট

সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে জাবিতে ‘সর্বাত্মক’ ধর্মঘট

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০২ অক্টোবর ২০১৯

দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে দুই দিনের '‘সর্বাত্মক’ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে দুই দিনের সর্বাত্মক' ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুদিনের এ ধর্মঘট পালন করছেন তারা।

তাদের প্রথম দিনের এ কর্মসূচি বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার ভোর ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল অবরোধের মাধ্যমে ধর্মঘট শুরু করে আন্দোলনকারীরা। এ সময় সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো যানবাহন বের হতে দেয়নি তারা। এতে ঢাকা থেকে শিক্ষক- কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি।

পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। ফলে অফিস কক্ষে প্রবেশ করতে পারেনি কর্মকর্তা- কর্মচারীরা। এতে স্থবির হয়ে পড়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম।

এদিকে উপাচার্যপন্থী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ অভিযোগকারীদের চিহ্নিত করে দুর্নীতিবাজদের শাস্তির দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম এ নারী উপাচার্যের বিষয়ে অভিযোগ তিনি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি করেছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের টাকায় ছাত্রলীগকে ঈদ সালামি দিয়েছেন। তার স্বামী ও ছেলেও এ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে জাবি ছাত্রলীগের নেতারা সরাসরি অভিযোগ করেছেন। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারজানা ইসলাম।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে মঙ্গলবারের মধ্যে পদত্যাগের আলটিমেটাম বেঁধে দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পদত্যাগ না করায় বুধ ও বৃহস্পতিবার সর্বাত্মক ধর্মঘটের ডাক দেন তারা।

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’–এর ব্যানারে এক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিয়ে উপাচার্য ফারজানা ইসলামের ‘মধ্যস্থতায়’ ছাত্রলীগের নেতাদের বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা দেয়ার অভিযোগ তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে তাদের এ আন্দোলন। এ ছাড়া ‘পূর্ণাঙ্গ মহাপরিকল্পনা’ ছাড়া এসব উন্নয়ন প্রকল্প বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ সচেতন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। এসব দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দুদফা বৈঠকে সমঝোতা হয়নি। এ কারণে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads