• মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৫
ads
যত্রতত্র শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ নয়: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

ফাইল ছবি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

যত্রতত্র শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ নয়: প্রতিমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ জুলাই ২০১৯

সরকার পরিকল্পিত শিল্পায়নকে উৎসাহিত করতে চায় জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, অর্থনৈতিক জোন বা নির্ধারিত স্থান ব্যতিত শিল্প-কারখানা স্থাপনায় আর কোনো গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না।

আজ সোমবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০১৯ এ জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বালু মহল বা খনিজ বালু উত্তোলনে ইজারা দেওয়া এবং স্থান নির্ধারণে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে পাথর কোয়ারি ইজারা বা লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, স্থানীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলার মাস্টার প্ল্যান করে পরিকল্পিত দেশ গড়তে সহায়তা করুন। উদ্ভাবনী ধারণ-চিন্তা-চেতনা বাস্তবায়ন ও প্রসারে জেলা প্রশাসকদের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। মাঠ পর্যায় থেকে প্রস্তাব আসলে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুততার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়।

পরিকল্পিত এলাকা বাদে শিল্প-কল-কারখানা স্থাপন বা স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া থেকে জেলা প্রশাসকদের বিরত থাকতে আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রি-পেমেন্ট মিটার নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সমস্যা সম্পর্কে বলেন, আধুনিক স্মার্ট প্রি পেমেন্ট মিটার এবং পরিকল্পিত লোড ম্যানেজমেন্ট এসব সমস্যা সমাধান করবে। বিদ্যুৎ বিভাগ অচিরেই এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসকরা আরো দায়িত্বশীল অবান রাখতে পারে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথম এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ তৃতীয় হয়েছে, যার পিছনে জেলা প্রশাসকদের তাৎপর্যময় অবদান রয়েছে।

 বিদ্যুৎ বিভাগ সম্পর্কিত জেলা প্রশাসকদের প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তর দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেন এ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রাহমাতুল মুনিম।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads