• রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫
ads
বিনিয়োগকারীরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম

ছবি : সংগৃহীত

উদ্যোক্তা

বিনিয়োগকারীরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বাংলাদেশে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আমাদের বিমানবন্দরগুলোয় অন-অ্যারাইভাল ভিসা, পণ্য খালাস এবং লাগেজ হ্যান্ডলিংসহ অন্যান্য সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ঘটনা বহির্বিশ্বে আমাদের নেতিবাচক ইমেজ তুলে ধরে এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগে স্থবিরতা আনতে পারে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি ওসামা তাসীরের নেতৃত্বে সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদের একটি দলের সঙ্গে বৈঠককালে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান।

বৈঠককালে কাজী আমিনুল ইসলাম দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নয়নে বিমান, স্থল ও জলবন্দরে, ব্যাংক-বীমাসহ বিনিয়োগ সহায়ক অন্যান্য সেবা প্রদানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে আরো আন্তরিক হবে বলে মন্তব্য করেন।

বিডা চেয়ারম্যান জানান, বিনিয়োগ-বিষয়ক সেবাপ্রাপ্তির লক্ষ্যে  বিডা ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শিগগরিই তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অগ্রগতির ধারাকে বজায় রাখা এবং বিশেষ করে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সরকার ও বেসরকারি খাত একযোগ কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত ‘ডুইং বিজনেস ২০১৯’ রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৭৬তম স্থানে রয়েছে, যা মোটেই কাম্য নয়। তিনি ডুইং বিজনেস ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান উন্নয়ন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প-কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো একান্ত আবশ্যক বলে মন্তব্য করেন।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপিতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের অবদান ৩৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। যেটি বর্তমানে রয়েছে ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। তিনি বিডা প্রস্তাবিত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ প্রদানের উদ্যোগ দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানান। ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, আমদানি-রফতানি নীতি, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নীতি এবং কর নীতিসহ সরকারের অন্য নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর কৌশলপত্র প্রণয়ন করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার পাশাপাশি ব্যবসা সহায়ক সেবাপ্রাপ্তির দীর্ঘসূত্রতার কারণে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বাড়ছে, যা বিনিয়োগকে ব্যাহত করছে।

ডিসিসিআই সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক আশরাফ আহমেদ, আলহাজ দ্বীন মোহাম্মদ, এনামুল হক পাটোয়ারী, হোসেন এ সিকদার, মোহাম্মদ বাশীর উদ্দিন, এসএম জিল্লুর রহমান এবং বিডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads