• মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
ads
সৌর বিকিরণের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করছে আইসিডিডিআর,বি

আইসিডিডিআর'বির লোগো

সংগৃহীত ছবি

পরিবেশ বিজ্ঞান

সৌর বিকিরণের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করছে আইসিডিডিআর,বি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৭ জানুয়ারি ২০১৯

সৌর বিকিরণ ব্যবস্থাপনা বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কীভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলে তা গবেষণা করতে আইসিডিডিআর,বি একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছে। আইসিডিডিআর,বি’র সঙ্গে বিশ্বের আরো সাতটি উন্নয়নশীল দেশের বিজ্ঞানীরা রয়েছেন।

আইসিডিডিআর,বি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ সোমবার এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রকল্পের মুখ্য গবেষক আইসিডিডিআর,বি’র ইমার্জিং ইনফেকশন অ্যান্ড প্যারাসাইটোলজী ল্যাবরেটরি অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট ড. মোহাম্মদ শফিউল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জলবায়ু ও মানব স্বাস্থ্য সুরক্ষার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মহৎ লক্ষ্য নিয়ে একটি প্রকল্প পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। সৌর ভূ-প্রকৌশল বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের প্রেক্ষাপটে দু’টি নির্দিষ্ট রোগ- কলেরা ও ম্যালেরিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে তা নিরূপণ করার জন্য আমরা একটি কম্পিউটার মডেলিং তৈরি করবো। এক্ষেত্রে পূর্বে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং প্রাসংঙ্গিক মডেল পর্যবেক্ষণ করব।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে এই প্রকল্পের আওতায় প্রথমে সৌর বিকিরণ ব্যবস্থাপনা ভূ-প্রকৌশল কিভাবে কলেরা ও ম্যালেরিয়া প্রাদুর্ভাবকে প্রভাবিত করবে তার কম্পিউটার মডেলিং ও সিমুলেশন করা হবে।

যদিও ম্যালেরিয়া রোগটি ক্রান্তীয় অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই রোগটি শীতল তাপমাত্রায় সর্বোত্তম সঞ্চালিত হয়। সৌর বিকিরণ ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করার উদ্দেশ্য যদি হয় ক্রান্তীয় অঞ্চলকে শীতলকরণ তবে, তার কারণে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব বাড়তে পারে। আবার, এসআরএম যদি তাপমাত্রা ও বন্যা হ্রাস করতে পারে তবে তা কলেরার প্রাদূর্ভাব কমাবে। এই গবেষণা দলে রয়েছেন বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা যারা কলেরা, পরিবেশবিদ, জলবায়ু এবং রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ।

প্রকল্পের মাধ্যমে আইসিডিডিআর,বি, আর্জেন্টিনা, বেনিন, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, আইভরি কোস্ট, জ্যামাইকা এবং দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সৌর বিকিরণ ব্যবস্থাপনা মডেলিং বিশেষজ্ঞদের সাথে ২০২০ সালের শেষে তাদের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads