• শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
কাজী জাফরের ‘অসম্পূর্ণ’ আত্মজীবনী

ফাইল ছবি

মুক্তমত

কাজী জাফরের ‘অসম্পূর্ণ’ আত্মজীবনী

  • শাহ আহমদ রেজা
  • প্রকাশিত ১৩ নভেম্বর ২০১৯

সাংবাদিক হিসেবে অনেক বিষয়ে লিখতে হলেও ইতিহাসের ব্যাপারে আমার আগ্রহ রয়েছে। সাধারণভাবে রাজনৈতিক ইতিহাস তো বটেই, ইতিহাসের সোর্স বা উপাদান এবং অংশ বলে আত্মজীবনীও আমি অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে পড়ে থাকি। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের আত্মজীবনী। কারণ এগুলোর মাধ্যমে ওই সময়কালের রাজনীতি এবং লেখক ও নেতাদের নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে জানা যায়। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়েছি বছর খানেক আগে। আর কিছুদিন আগে পেয়েছি সাবেক চীনপন্থি নেতা এবং স্বৈরশাসক এরশাদের শেষ প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের আত্মজীবনী ‘আমার রাজনীতির ৬০ বছর : জোয়ার-ভাটার কথন’।

আজকের নিবন্ধে কাজী জাফরের এই আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা রয়েছে। তার আগে জানিয়ে রাখা দরকার, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত রাশেদ খান মেনন, হায়দার আকবর খান রনো, আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, মোস্তফা জামাল হায়দার প্রমুখকে সঙ্গে নিয়ে কাজী জাফর সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যাভিসারী ‘বিপ্লবী রাজনীতি’ করেছেন। প্রকাশ্য রাজনীতিতে তাদের সবাই মওলানা ভাসানীর অনুসারী ছিলেন। ১৯৬০-এর দশক থেকে তারা পরিচিত ছিলেন ‘চীনপন্থি’ হিসেবে। পরবর্তীকালে তাদের মধ্যে বিভক্তি ঘটেছে। কাজী জাফর প্রথমে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী হয়েছেন (১৯৭৭), জেনারেল এরশাদের সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীও তিনিই ছিলেন (১৯৮৯-৯০)। সাবেক চীনপন্থিদের বিষয়ে অল্প কথায় বলা যায়, ভুল ও সুবিধাবাদী রাজনীতি তাদের শুধু দলগতভাবে বিভক্ত করেনি, জনগণ থেকেও বিচ্ছিন্ন করেছে।

এবার কাজী জাফর আহমদের আত্মজীবনী প্রসঙ্গ। ৪৫৫ পৃষ্ঠার ‘আমার রাজনীতির ৬০ বছর : জোয়ার-ভাটার কথন’ বইটিতে বর্ণিত অনেক ঘটনা আমার জানা। তাছাড়া বিশেষ করে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ব্যক্তিগত সহকারী ছিলাম বলে কাজী জাফরের বর্ণনার সত্যাসত্য যাচাই করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেছি। স্বাধীনতার পর ভাসানী ন্যাপের প্রথম সাধারণ সম্পাদক (১৯৭২-৭৪) এবং পরবর্তীকালে প্রথমে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী (১৯৭৭) এবং পরে জেনারেল (অব.) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিন্দিত ও বিতর্কিত এই রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল আইয়ুব খানবিরোধী ১১ দফাভিত্তিক ছাত্রগণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলাম। কাজী জাফরের সঙ্গে সম্পর্কও ছিল তখন থেকেই।

কাজী জাফরের মূল সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ) ছিল মওলানা ভাসানীর অনুসারী। মেননের নাম বেশি প্রচার পেলেও সংগঠনের প্রকৃত প্রধান নেতা ছিলেন কাজী জাফর। ১৯৬২ সালের শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ‘পূর্ব পাকিস্তানের’ প্রাদেশিক রাজনীতিতে প্রথমে একজন ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি ও প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন কাজী জাফর (তিনি ছিলেন অবিভক্ত ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক)। পরবর্তীকালে অনেক বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি টঙ্গীর ভাসানীপন্থি শ্রমিক নেতা হিসেবে।

কিন্তু তাত্ত্বিক এবং রণনীতি ও রণকৌশলগত বিভিন্ন প্রশ্নে মতপার্থক্যের কারণে কাজী জাফররা সেকালের চীনপন্থি কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বেরিয়ে আসেন (কারো কারো মতে, তাদের ‘বের’ করে দেওয়া হয়েছিল)। কাজী জাফরের নেতৃত্বে এরপর ১৯৬৯ সালে গঠন করা হয় ‘কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি’। তাদের ঘোষিত কর্মসূচি ছিল ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা’ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন আয়োজিত এক জনসভায় এই সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকেই সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ তথা পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার এবং স্বাধীন সে রাষ্ট্রে জনগণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহবান জানানো হয়েছিল। পাকিস্তানের সংহতি বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের আহ্বান জানানোর অভিযোগে সামরিক আদালতের বিচারে কাজী জাফর ও রাশেদ খান মেননকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। দুজনের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছিল সামরিক আদালত। কিন্তু উভয় নেতাই ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে’ চলে যাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

কাজী জাফরের আত্মজীবনীতে কিন্তু যথোচিত গুরুত্বের সঙ্গে এসব তথ্যের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। কাজী জাফর বরং এমন কিছু তথ্য ও ঘটনার উল্লেখ করেছেন, যেগুলোকে তার রাজনীতির কারণেই স্বাভাবিক বলার সুযোগ কম। এখানে বিশেষ করে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের উল্লেখ করা দরকার। আত্মজীবনীতে মওলানা ভাসানী প্রসঙ্গে তো বটেই, প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক ঘটনারও বর্ণনা দিয়েছেন কাজী জাফর। ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়ার শিক্ষামন্ত্রী হওয়া থেকে গণচীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় নিজের ভূমিকা সম্পর্কেও লিখেছেন তিনি। কিন্তু আমার মতো অন্য সব পাঠককেও নিরাশ হতে হবে পরবর্তীকালের ঘটনাবলি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে গিয়ে। কারণ জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ আন্দোলন প্রসঙ্গে মাত্র শ’ দেড়েক বাক্যে বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। সেখানে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত ৭ ও ১৫ দলীয় জোট এবং জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ ছাড়া দলগুলোর ভূমিকা ও আন্দোলন সম্পর্কে তেমন কিছুই লেখেননি কাজী জাফর।

এ পর্যন্ত এসে কিছু তথ্যের উল্লেখ না করার লোভ সংবরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস প্রকল্পের একজন গবেষক হিসেবে ১৯৭১ সালে কাজী জাফরদের ভূমিকা সম্পর্কে জানার জন্য তার ইন্টারভিউ নেওয়ার দায়িত্ব পড়েছিল আমার ওপর। ১৯৮৩-৮৫ সময়কালে বহুবার তার সঙ্গে বসতে হয়েছে। কাজের চাইতে বেশি সময় গেছে তাকে সঙ্গ দিতে। কারণ এরশাদবিরোধী পাঁচ দফার আন্দোলনকালে দীর্ঘদিন কাজী জাফরকে ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে’ কাটাতে হচ্ছিল। সে অবস্থাতেই আমাকে তিনি ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন। তবে একদিনে বা একই স্থানে নয়।  গুলশান ও বনানীর কয়েকটি বাসায় বেশ কয়েকদিন ধরে কথা বলেছেন তিনি।

আমার সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে তিনি রাশেদ খান মেনন ও আবদুল মান্নান ভুঁইয়া প্রমুখের সঙ্গে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে টেলিফোনে কথা বলেছেন। বিবিসির আতাউস সামাদ এবং ভয়েস অব আমেরিকার গিয়াস কামাল চৌধুরীসহ সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন। আগে থেকে বিশ্বাস করতেন বলে এসব কথা কাজী জাফর আমার সামনেই বলতেন। কিন্তু একই কাজী জাফর আবার মাঝে-মধ্যে আমাকে ঘরের বাইরে চলে যেতে বলতেন। কখনো ১০/১৫ মিনিট, কখনো আবার আধঘণ্টা বা তারও বেশি সময় পর আমার ডাক পড়ত। আমি বিরক্ত হতাম। কখনো কখনো অসম্মানিতও বোধ করতাম। মনের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তাকে জানাতামও।

প্রথম কয়েকদিন পর্যন্ত কিছু না বললেও একপর্যায়ে তিনি জানিয়েছিলেন, জেনারেল এরশাদের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। এরশাদ নাকি তাকে মন্ত্রীর ‘চাকরি’ সাধছেন! মুখে এরশাদকে গালি দিলেও কাজী জাফর আমাকে বলেছিলেন, তার দল ইউপিপিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সাত দলীয় জোটে গেছেন সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরা ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে। তিনি যে কারো সঙ্গে বিয়ে-শাদী বা আত্মীয়তা করার জন্য আন্দোলন করছেন না— সে কথাটাও বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গেই বলেছিলেন কাজী জাফর। তার ভাষাও ছিল অশালীন।

এভাবেই চলছিল জেনারেল এরশাদের সঙ্গে কাজী জাফরের গোপন যোগাযোগ। কিন্তু এসব বিষয়ের সামান্য উল্লেখও নেই তার আত্মজীবনীতে। আমি বেশি বিস্মিত হয়েছি বিশেষ একটি কারণে। ১৯৮৫ সালে এরশাদের বাণিজ্যমন্ত্রী হওয়ার আগের ঘটনাবলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ পাশ কাটিয়ে গেছেন কাজী জাফর। অথচ এ ব্যাপারে গোপনে যোগাযোগ ও আলোচনা হয়েছিল বহুদিন ধরে। কিন্তু এসব বিষয়ে কিছুই জানাননি কাজী জাফর। খুবই অল্প কথায় তিনি শুধু জানিয়েছেন, তার দল ইউপিপির গাইবান্ধার এক নেতার বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা এরশাদের সরকারে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পাস করেছিলেন (পৃষ্ঠা ৩৭২)। এরপরই তিনি এরশাদের বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

কাজী জাফর লিখেছেন, তিনি নাকি নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে জেনারেল এরশাদকে ‘সাহায্য’ করার জন্যই তার মন্ত্রিত্ব নিয়েছিলেন! ‘এরশাদের মন্ত্রিসভায় যোগদান করার পর আমি বিতর্কিত হয়ে পড়ি’ জানিয়ে কাজী জাফর লিখেছেন, ‘শপথ নেওয়ার পর আমি যখন আমার মগবাজারের বাসায় ফিরে এলাম তখন আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। মনের মধ্যে শুধু একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল— আমি কি ঠিক করলাম?’ (পৃষ্ঠা ৩৭২) এভাবেই হঠাৎ আত্মজীবনীর সমাপ্তি টেনেছেন কাজী জাফর। গ্রন্থের ফুটনোটে অবশ্য বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত লেখার ও বলার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে তার মৃত্যু হয়েছে।

আত্মজীবনীতে কাজী জাফর অবশ্য বিস্ময়কর কিছু তথ্যও জানিয়েছেন। এরকম একটি তথ্য হলো, প্রধানমন্ত্রী এবং বাকশাল সরকারের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি তাকে নাকি গঠিত হতে যাওয়া বাকশালের পলিট ব্যুরোতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ওই পলিট ব্যুরোতে শেখ মুজিবের দুজন এবং শেখ মণির চারজন প্রতিনিধি থাকবেন। এই চারজনের মধ্যে কাজী জাফর ও শেখ মণি নিজে ছাড়াও থাকবেন সিপিবির মোহাম্মদ ফরহাদ এবং জাসদের তাত্ত্বিক নেতা সিরাজুল আলম খান। প্রস্তাবটিকে অবাস্তব বলায় শেখ মণি নাকি বলেছিলেন, তার মামা শেখ মুজিবও এতে রাজি হয়েছেন। শেখ মণির যুক্তি ছিল, তারা চারজনই ১৯৬২-র ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন এবং তারা যদি বাকশালের পলিট ব্যুরোতে যাওয়ার সুযোগ পান তাহলে তারাই অন্তত তিন-চার দশক দেশের নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু কাজী জাফর রাজি হননি। তিনি বরং পার্টির অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করার অজুহাত দেখিয়ে চলে এসেছিলেন। সেটাই ছিল ‘বন্ধু’ শেখ মণির সঙ্গে কাজী জাফরের শেষ দেখা। এটা ১৯৭৫ সালের জানুয়ারির প্রথম দিককার ঘটনা। এরপর একদিকে বাকশালের শাসন কায়েম হয়েছিল, অন্যদিকে কাজী জাফর পালিয়ে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে বসেই তিনি ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান এবং শেখ মুজিব ও শেখ মণির মৃত্যুর খবর শুনেছিলেন।

এ ধরনের আরো কিছু তথ্যের কথা জানালেও প্রধানত এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মন্ত্রিত্ব নেওয়াসহ ঘটনাবলির সামান্য উল্লেখ না করার কারণে কাজী জাফরের আত্মজীবনী আসলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। এই আত্মজীবনী লেখার ব্যাপারেও আমাকে ঘনিষ্ঠভাবে জানতে হয়েছিল। কাজী জাফরের মতো এককালের একজন তুখোড় নেতার আত্মজীবনী কেন আসলে অসম্পূর্ণ বা অসমাপ্ত অবস্থায় পাঠকের হাতে এসেছে, তার কারণ সম্পর্কে পরবর্তী কোনো নিবন্ধে জানানোর ইচ্ছা রইল।

 

লেখক : সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads