• বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
করোনা ভাইরাস : প্রকৃতি ও পরিবেশে প্রাণের ছোঁয়া

সংগৃহীত ছবি

মুক্তমত

করোনা ভাইরাস : প্রকৃতি ও পরিবেশে প্রাণের ছোঁয়া

  • প্রকাশিত ৩০ এপ্রিল ২০২০

শ্যামা সরকার:

করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাব এতটাই ভয়াবহ যে, এটি থমকে দিয়েছে গোটা বিশ্ব।  বিশ্বজুড়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে মানবজাতি।  মারা যাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।  এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানবকুলে 'ত্রাহি ত্রাহি' রব উঠেছে।  এর থেকে কবে মুক্তি মিলবে, কখন স্বাভাবিক হবে কর্মপরিবেশ এবং সর্বোপরি কবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসবে মানুষ- এসব দুশ্চিন্তাই ভর করছে খেটে খাওয়া মানুষের মনে।

ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে চীনের উহান থেকে এই ভাইরাসের বিস্তার শুরু।  এ কারণে উহান শহরের সঙ্গে অন্য শহরগুলোর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।  এ ছাড়া ওই সময়ে উহান থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে হুয়াংগাং শহরও অবরুদ্ধ করা হয়।  পরে ১১ জানুয়ারি ২০২০ ইং তারিখে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করে চীন।  মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। 

এ পরিস্থিতিতে ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা এড়াতে আক্রান্ত দেশগুলো নিজেরাই লকডাউনে যায়।  করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।  বিশ্ব পরিস্থিতির এ সংকটময় মুহূর্তে স্বাভাবিকভাবেই এদেশের মানুষের মধ্যেও ভর করেছে করোনা আতঙ্ক আর উদ্বেগ।

এতো উৎকণ্ঠার মধ্যেই দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউট- আইইডিসিআর।  এর ১০ দিন পর দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় একজনের।  প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে ঘরে অবস্থান করার বিষয়টি নিশ্চিতকরণে রাজপথে, পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ।

যেহেতু, বিশ্বের অন্যান্য দেশর মতো বাংলাদেশও কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়, তাই গত ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, শিল্পকারখানা, ইটের ভাটা।  সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালতের কাজও অনেকাংশে সীমিত করা হয়েছে।  চলছে সরকার ঘোষিত ও নির্দেশিত সাধারণ ছুটি।  নিষিদ্ধ করা হয়েছে সকল ধরনের গণজমায়েত।  এ ছাড়া বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন।  কিছু কিছু ক্ষেত্রে সীমিত রাখা হয়েছে যানবাহন চলাচল।  কমেছে মানুষের আনাগোনা। সব কিছু ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ ঢাকা ছেড়েছে।  ফলে ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা।  পরিবহনের ক্ষতিকর ধোঁয়া নেই বললেই চলে।  আর এতে অনেকটাই কমেছে বাতাসের দূষণ ও শব্দ দূষণের মাত্রা।  এসব দূষণের কারণেই স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ নানা রোগে ভুগছে নগরবাসী।

বিশ্বব্যাংক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে এ শহরের চারপাশে অবস্থিত ইটভাটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তালিকায় ভারত ও চীনের পরে বাংলাদেশের অবস্থান।  অন্যদিকে, বড় শহরগুলোর মধ্যে দূষণের দিক দিয়ে বিশ্বে রাজধানী ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। ইন্টারন্যাশনাল গ্লোবাল বার্ডেন ডিজিজ প্রজেক্টের প্রতিবেদনে বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বায়ুদূষণকে চার নম্বরে দেখানো হয়েছে।  বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ৫৫ লাখের বেশি মানুষ মারা যায়। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকরী পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা না বাড়ালে ভবিষ্যতে ভয়াবহ বায়ুদূষণে পড়বে বাংলাদেশ। 

এদিকে, কোপারনিকাস অ্যাটমোস্ফিয়ার মনিটরিং সার্ভিস (সিএএমএস) ও কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সি৩এস) নিশ্চিত করেছে যে, লকডাউনের কারণে কার্বন নিঃসরণ কমে আসায় ওজন স্তরে যে বিশাল ক্ষত বা গর্ত তৈরি হয়েছিল তা পৃথিবী নিজেই সারিয়ে তুলছে।  এর আগে করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে এপ্রিলের শুরুতে বরফে ঢাকা উত্তর মেরুর আকাশে ওজন স্তরে ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ বর্গকিলোমিটারের একটি বিশাল গর্ত তৈরির কথা জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।  এই গর্ত দক্ষিণের দিকে মোড় নিলে সরাসরি হুমকির মুখে পড়তো বিশ্ববাসী।

করোনা ভাইরাসের কারণে যখন বেঁচে থাকার শঙ্কায় মানুষ, তখন যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিশ্ব।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং শহর লক ডাউন থাকায় বন্ধ হয়েছে কারাখানা এবং যানবাহন চলাচল। এতে কমেছে পরিবেশ দূষণের মাত্রা।  দূষণমুক্তের তালিকায় রয়েছে : চীন, ইতালি, ভারত, ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগাল।  এ ছাড়া নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের উত্তরাঞ্চলে গভীর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।  যুক্তরাজ্যেও একই ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

এই ভাইরাসের কারণে কার্যত লকডাউন বিশ্বজুড়ে।  এই ভাইরাস প্রকোপে বিশ্ববাসীকে এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।  তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, এর ফলে প্রকৃতিতে পড়েছে এক অদ্ভুত প্রভাব।  প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে নিজস্ব রূপ।  বিশেষজ্ঞদের মতে, আকর্ষণীয়ভাবে কমে গিয়েছে গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রকোপ।  পাশাপাশি কমেছে দূষণের মাত্রাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার বাতাসের দূষণ অনেক কমেছে।  স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা ২৫০ থেকে ৩০০ পর্যন্ত থাকে।  এক জরিপে দেখা গেছে, পর পর কয়েক দিন ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল ১৯৫, ১৫৭।  যানবাহন ও শিল্প কারখানার কালো ধোঁয়া বর্তমানে ঢাকার আকাশে নেই।  সে কারণেই বায়ুদূষণের মাত্রা ৯৩-এ নেমে এসেছে।  সুতরাং বলা যায়, যারা বায়ুদূষণের সঙ্গে জড়িত এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের যারা তাদের মনিটরিং করবে, উভয়েই যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে তাহলে ঢাকার বায়ু স্বাস্থ্যকর থাকবে।  শুধুমাত্র লোকাল পলিউশন নয়, এর সঙ্গে আরও অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে।  যেমন : বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, অন্য স্থানের দূষণ হলেও তার প্রভাব ঢাকায় পরতে পারে।  তাই এ দূষণে নগরবাসী সচেতন হলে ঢাকার বায়ু স্বাস্থ্যকর রাখা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মান অনুসারে, বায়ুর মান শূন্য থেকে ৫০ থাকা মানে বায়ু স্বাস্থ্যকর।  ৫০ থেকে ১০০ হচ্ছে সহনীয় অবস্থা।  ১০০ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল, ১৫০ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০০ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর, ৩০০ থেকে ৫০০ হচ্ছে বিপদজনক অবস্থা।

জীবনযাত্রাকে থমকে দেয়া করোনা ভাইরাস প্রকৃতিতে যেন আশীর্বাদই হয়ে এসেছে।  ঢাকার আকাশে খেলা করছে নীল ও সাদা মেঘ, রাতের আকাশে মিটি মিটি করে জ্বলছে তারকারাজি।  গাছে গাছে ফুটেছে মন মাতানো হরেক রকমের ফুল।  গাছের মগডালে বসে ডাকছে কোকিল ও ঝিঁ ঝিঁ পোকা।  এ যেন সত্যিই বাংলার চিরাচরিত রূপ।  যা এক সময় শুধু উপভোগ করেছে গ্রাম-বাংলার মানুষ। নগরবাসীর আত্মোপলব্ধিকে জাগিয়ে তোলার এ অপার কৌশল প্রকৃতিদেবীর।  তাই প্রকৃতি নিজের সুষমা, সৌন্দর্যরাশি যেন একের পর এক তুলে ধরেছে।

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে বিশ্ব বাণিজ্যে।  বাংলাদেশেও পড়েছে এর প্রভাব।  এ কারণে মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।  ক্ষতির মুখে পড়েছে এ দেশের পর্যটনশিল্প।  কিন্তু এতো কিছুর মাঝেও প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে তার নিজস্ব রূপ।  যেন অচেনা রূপ ধারণ করেছে পর্যটন স্পটগুলো।  পর্যটন স্পটগুলো একেবারেই ফাঁকা।  শহর দূষণমুক্ত।  নেই প্রাণের কোলাহল।  পাহাড়গুলো ফিরে পেয়েছে তার সৌন্দর্য।  পাহাড়ের মাঝে ছোট ছোট লেক, ঝরনা, আর নদীর পানি এতোটাই স্বচ্ছ, যা আগে কখনো কেউ দেখেনি।

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারেও নেই কোন কোলাহল।  সৈকতের বুকে জনমানবের পদচারণা না থাকায় নীরবে সবুজ গালিচা তৈরি করায় ব্যস্ত 'সাগরলতা'।  সবুজ এ গালিচায় ফুটেছে অগণিত জাতের নাম না জানা বাহারি রঙের সব ফুল।  বাসা বেঁধেছে লাল কাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও গাঙ কবুতরের দল।  সাগরপাড়ে রয়েছে কচ্ছপের অবাধ বিচরণ।  সমুদ্রের বিশাল বেলাভূমিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে কচ্ছপের দল।  বালুর মধ্যে ডিম পাড়ছে।  বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় থাকা সামুদ্রিক এ কচ্ছপ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, বিশেষ করে খাদ্যশৃঙ্খল বজায় রাখতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  এ ছাডা সাগরের ময়লা-আবর্জনা খেয়ে পানি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এসব কচ্ছপ।  অন্যদিকে, বহু বছর পর সমুদ্রে ডিগবাজিতে মেতেছে ডলফিন। ডলফিনের এ মনোমুগ্ধকর নৃত্য যেন পরিবেশ-প্রকৃতির এক অপার লীলা।

কেবল কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতই যে জীববৈচিত্র্যের এ খেলায় মেতেছে? না মেতেছে সাগরকন্যা কুয়াকাটাও।  এর বেলাভূমিতে লাল কাঁকড়ার আলপনা আকার দৃশ্য ও অবাধ বিচরণ যেন এটাই মনে করিয়ে দেয় যে, এ সৈকত শুধুমাত্র তাদেরই অধীনে। 

পরিবেশবাদীদের মতে, প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে থাকলেও এখন আর সেই দৃশ্য নেই।  আশার কথা হলো- অন্ত্মত এ সংকটময় মুহূর্তে প্রকৃতি তার নিজের রূপ ফিরে পেয়েছে।  এ অবস্থাকে ধরে রাখতে হবে।  তাই বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যটক আগমন সীমিত এবং পর্যটন শিল্পকে পরিবেশবান্ধব গুরম্নত্ব দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।  এটা নিশ্চিত করা গেলে পর্যটন ও প্রকৃতি দুটোকেই রক্ষা করা সম্ভব। 

পরিবেশ অধিদপ্তর মনে করে, করোনার কারণে পরিবেশে যে পরিবর্তন এসেছে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে ঢাকা শহরের পুরনো গাড়িগুলোকে বাদ দিতে হবে।  যাতে এর থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া বায়ূকে দূষিত করতে না পারে।  এদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি থাকবে। 

বৈশ্বিক উষ্ণতা, পানি ও বায়ুদূষণ এবং জীববৈচিত্র্য ও মাটির ওপর বিরূপ প্রভাবে পরিবেশের গুণগতমানের অবনতির কারণে মারা যাচ্ছে হাজারো মানুষ। আমরা যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এর প্রতিকার না করি, তাহলে এর ফল হবে ভয়াবহ। ধ্বংস হবে প্রাকৃতিক সম্পদ, বাড়বে অভিবাসন এবং সেই সঙ্গে বাড়বে সংঘাত।

এসব কিছু রক্ষা করার জন্য এপ্রিল ২৯, ২০২০ ইং তারিখে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্থোনিও গুতেরেস বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, করোনা পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।  আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে দেয়া এক বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।  এ সময় তিনি আরো বলেন, এই সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজন সাহসী ও সহযোগিতামূলক নেতৃত্ব।  শ্রেষ্ঠতর পৃথিবী গড়তে বিরল এক সুযোগ পেয়েছেন বিশ্ব নেতারা। একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক হুমকি মোকাবেলায় তাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান।  এছাড়া মহামারী থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে হলে মানুষের নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও সহিষ্ণু পৃথিবী গড়ে তোলারও আহ্বান জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

জাতিসংঘ মহাসচিবের এ আহ্বানে বাংলাদেশও সাড়া দেবে।  কারণ বিশ্বকে বসবাসযোগ্য করার লক্ষ্যে দূষণমুক্ত বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।  জীববৈচিত্র্যে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশ।  তবে মানুষের সচেতনতার অভাবে আজ তা অরক্ষিত।  নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।  পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে বাঁচাতে হবে। 

সর্বোপরি, শিল্পায়ন বিশ্বকে করেছে অনেক উন্নত ও আধুনিক।  তাই শিল্পায়নের অগ্রগতি বজায় রেখেই বিশ্ববাসীকে দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে উদ্বুদ্ধ এবং পরিবেশবাদী সংগঠন ও মিডিয়াগুলোকে এ বিষয়ে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

লেখক : ম্যানেজার (কমিউনিকেশন, পাবলিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ) প্রধান কার্যালয়, উদ্দীপন।

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads