• রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫
ads
সবাইকে ছাড়িয়ে দুয়া লিপা

ছবি : সংগৃহীত

হলিউড

সবাইকে ছাড়িয়ে দুয়া লিপা

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩০ জুলাই ২০১৯

ব্রিটিশ তরুণী গায়িকা দুয়া লিপা। বয়স ২৩ বছর। কসোভোর মুসলিম বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া এই গায়িকা তার প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করেছেন। হাস্কি ভয়েসের জাদুতে শ্রোতাদের মন জয় করার পাশাপাশি বোদ্ধাদের প্রশংসাও পেয়েছেন। এরই মাঝে ব্রিট অ্যাওয়ার্ডসহ পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার।

দুয়া লিপার জন্ম ২২ আগস্ট, ১৯৯৫। লন্ডনে জন্ম নেওয়া এ তারকার ক্যারিয়ারের সূচনা মাত্র ১৪ বছর বয়সে। গায়িকা হিসেবে সাতটি একক গান নিয়ে তার প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ হয়। এ অ্যালবামের একটি গান ‘বি দ্য ওয়ান’ যুক্তরাজ্যের সেরা একক দশটি গানের মধ্যে জায়গা করে নেয়। ওই অ্যালবামের ‘নিউ রুলস’ পায় দেশটির ‘নাম্বার ওয়ান সিঙ্গেল’-এর খ্যাতি। লিপার নিজস্ব স্টাইলই তরুণ সংগীতপ্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে। নিজের প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম নিয়ে ইংলিশ গায়িকা দুয়ার ‘দুয়া লিপা ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ অ্যালবামের ‘নিউ রুলস’ গানটি সারা বিশ্বে আলোচিত হয়। তিনিই প্রথম নারী যিনি ব্রিট অ্যাওয়ার্ডে পাঁচটি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে রেকর্ড গড়েছেন।

লন্ডনে জন্ম নিলেও দুয়া লিপা আসলে আলবেনিয়ান। তার বাবা-মা নব্বইয়ের টালমাটাল রাজনৈতিক অবস্থায় কসোভো ছেড়ে চলে আসেন লন্ডনে। সেখানেই আরো দুই ভাইবোনের সঙ্গে ছেলেবেলা কেটেছে লিপার। ২০০৮ সালে আবার পরিবারের সঙ্গে কসোভো ফেরার আগে কিছু সময় তিনি সিলভিয়া ইয়ং থিয়েটার স্কুলে পড়াশোনা করেন। তবে দুই বছরের মধ্যেই আবার লন্ডনে ফিরে আসেন।

বাবা ডুকাজিন লিপাও রক গান করেন। ১৪ বছর বয়সে লিপা ইউটিউবে গান প্রকাশ করেন। গানগুলো অবশ্য তার নিজের ছিল না। লিপার উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। দারুণ মডেলিং করেন। ছোটবেলায় সবচেয়ে বেশি শুনেছেন ক্রিস্টিনা আগুইলেরার গান। চিপস পছন্দ করেন। নিজের স্মার্টফোনের ওয়ালপেপারে আছে সাগরের ঢেউ। লস অ্যাঞ্জেলসের চেয়ে নিউইয়র্ক বেশি ভালো লাগে তার। কফি নয়, পছন্দ চা।

১৬ বছর বয়সে আবার লন্ডনে ফিরে আসেন। উদ্দেশ্য আর কিছুই না, গান নিয়ে আরো সামনে এগিয়ে যাওয়া। লন্ডনে এসে নাইটক্লাবের ওয়েট্রেসিং থেকে মডেলিং-কত কিছুই না করেছেন জীবিকার তাগিদে। গানের চর্চা চালিয়ে যেতে ভর্তি হন সিলভিয়া ইয়ং থিয়েটার স্কুলে। যেখানে পড়াশোনা করেছেন রিটা ওরা আর এমি ওয়াইনহাউসের মতো বিখ্যাত শিল্পীরা। এখানেই তিনি চোখে পড়েন লানা ডেল রয়ের ব্যবস্থাপক বেন মসনের। তিনি লিপাকে সপ্তাহে ৫ দিন একটি স্টুডিওতে গান গাওয়ার সুযোগ করে দেন।

নিজের পরিচয় তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগেনি লিপার। ২০১৫ সালে যখন বয়স সবে ২০ তখনই ওয়ার্নার মিউজিক গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি সই করেন। ওই বছরই প্রথম অ্যালবামের কাজ শুরু করেন। তার প্রথম গান ‘নিউ লাভ’। এই গানটি গাইতে তাকে সহযোগিতা করেন আরেক পপ গায়িকা লানা ডেল রয়। এরপর একে একে ‘বি দ্য লাভ’, ‘লাস্ট ড্যান্স’, ‘হটার দ্যান হেল’-এর মতো জনপ্রিয় গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। তার ‘স্কেয়ারড টু বি লোনলি’ গানটি শুধু স্পটিফাইতেই ৩০ কোটি বার শোনা হয়। দ্বিতীয় একক ‘বি দ্য ওয়ান’। কাজটি সাড়া ফেলে পুরো ইউরোপে।

লিপা নিজের গান গাইতে পছন্দ করেন। তার গানকে তিনি বলেন ‘ডার্ক পপ’। এটি মূলত পপ আর হিপ-হপের মিশেল। লিপার প্রযোজক তার সম্পর্কে বলেন, মেয়েটা খুব খাটতে জানে। দারুণ পরিশ্রমী একজন গায়িকা লিপা। নিজের সবটুকু দিয়ে একটা গান ভালো করার চেষ্টা করে। ২০১৬ সালে লিপাকে নিয়ে আমেরিকার সংগীত সাময়িকী ‘দ্য ফেডার’ একটি প্রমাণ্যচিত্র নির্মাণ করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads