• সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

হলিউড

৫০ পেরিয়ে...

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বিশ্বব্যাপী তাকে পচনে উইল স্মিথ নামেই। পুরো নাম উইলার্ড ক্যারোল উইল স্মিথ জুনিয়র। ৫০ পেরিয়ে ৫১-তে পা দিলেন এই তারকা। তার অভিনীত ‘দ্য পারস্যুইট অব হ্যাপিনেস’ সিনেমাটা দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যারা সারা জীবনে দুই-চারটি হলিউডি সিনেমাই দেখেছেন, তাদের লিস্টেও এটা থাকবেই। শূন্য থেকে শিখর ছোঁয়ার গল্প, আর জীবনের নানামুখী সংকট নিয়ে নির্মিত এই সিনেমা মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে হাজারও মানুষকে। দারুণ অভিনয় করে অস্কারে মনোনয়নও পেয়েছিলেন সেবার, তবে পুরস্কারটা ঘরে তোলা হয়নি শেষমেশ।

উইল স্মিথ অভিনয়ে আসার আগে গায়ক হিসেবে নাম কামিয়েছিলেন। পরিচিত ছিলেন দ্য ফ্রেশ প্রিন্স এবং দ্য এমসি নামে। ডিজে জ্যাজি জেফের সঙ্গে তার হিপহপ জুটিটা জনপ্রিয় হয়েছিল বেশ। র্যাপ ক্যাটাগরিতে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডও জিতেছিলেন দুজনে মিলে। ম্যান ইন স্নাকক, হ্যানকসহ বেশ কয়েকটি বক্স অফিস কাঁপানো ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। যার প্রত্যেকটি আয় করেছে ১০০ মিলিয়নের বেশি!

অন্যদিকে ফ্লোপ ছবিও উপহার দিয়েছেন স্মিথ। তার ‘ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট’ নামের সিনেমাটি বক্স অফিসে বড়সড় ফ্লপ ছিল। স্মিথ বলেন, তার জীবনের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত ম্যাট্রিক্সে কাজ করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্টে অভিনয় করাটা। ১৯৯৮ সালে বিশ্বের ৫০ সুদর্শন ব্যক্তির তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিলেন তিনি। মিডিয়াতে তার পরিচিতি ‘মিস্টার জুলাই’ নামে, কারণ তিনি গ্রীষ্মকালীন ব্লকবাস্টারের রেকর্ডগুলোর বেশিরভাগই তার দখলে, জুলাইতেই তার সিনেমা বেশি মুক্তি পায়। ২০০৮ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা ছিলেন উইল স্মিথ। সে সময় তার আয় ছিল প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার

১৯৬৮ সালে পেনিসেলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় জন্ম। বয়সের কাঁটায় অর্ধশতক পার হলেও মানুষটা এখনো দারুণ প্রাণবন্ত, পরিশ্রমী আর উদ্যমী। চেষ্টা করেন অভিনয়ে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads