• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ সুবিধা চান চামড়া শিল্পোদ্যোক্তারা

চামড়া শিল্পে ব্যবহূত কেমিক্যালের আমদানি খরচ কমাতে ‘সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ’ সুবিধা চেয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা

ছবি: সংগৃহীত

শিল্প

সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ সুবিধা চান চামড়া শিল্পোদ্যোক্তারা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৭ আগস্ট ২০১৮

চামড়া শিল্পে ব্যবহূত কেমিক্যালের আমদানি খরচ কমাতে ‘সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ’ সুবিধা চেয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলেন, বর্তমানে কিছু উদ্যোক্তা বন্ড সুবিধা পাচ্ছেন। এতে নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ সুবিধা দেওয়া হলে সব উদ্যোক্তাই এতে উপকৃত হবেন। অপরদিকে শুধু প্লটের মূল্য পরিশোধ করে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর জমি রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিতে শিল্পমন্ত্রীর নির্দেশনা কামনা করেন।

চামড়া শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের বিষয়ে গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শিল্পোদ্যোক্তারা এসব কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিল্প সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, বিসিক চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহ. ইফতিখার, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক সরদার আবুল কালাম, বাংলাদেশ ফিনিস লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএলএফইএ) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমদে মাহিন, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহিন আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কেমিক্যাল আমদানির ক্ষেত্রে ‘সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ’ সুবিধা দেওয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বরাবর সুপারিশ করা হবে বলে জানান শিল্পমন্ত্রী। তবে জমির মূল্য এবং সিইটিপির নির্মাণ খরচ একসঙ্গে পরিশোধ করে সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্লট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের জন্য বিসিক যে এপিআই শিল্প পার্ক তৈরি করছে, সেখানেও উদ্যোক্তারা একই সঙ্গে প্লট ও সিইটিপির ব্যয় পরিশোধ করছেন। চামড়া শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য এর ব্যতিক্রম কোনো নিয়ম চালু করা সমীচীন হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবে শিল্পোদ্যোক্তাদের অন্যান্য দাবি পূরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, চামড়া শিল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাত। ২০২১ সাল নাগাদ এ খাতে ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এটি অর্জনের জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে উন্নতি ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে যেসব ট্যানারির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, সেগুলোর অনুকূলে পাওনা ক্ষতিপূরণের টাকা দ্রুত ছাড়ের দাবি জানান। তারা আরো বলেন, আসন্ন কোরবানি ঈদে শিল্পনগরীতে বর্জ্যের পরিমাণ বাড়বে। এগুলো ব্যবস্থাপনায় এখন থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ট্যানারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে শ্রমিকদের সচেতন করতে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

সভায় জানানো হয়, সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে ৯৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তরল বর্জ্য পরিশোধনে সিইটিপি যথাযথভাবে কাজ করছে। শিল্পনগরীর রাস্তাঘাট মেরামতে বিসিক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে মেরামতের কাজ সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলে সভায় তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads