• মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬
ads
৫৮ বছরে রংপুর চিনিকলে লোকসান ৩৫২ কোটি টাকা

সংগৃহীত ছবি

শিল্প

৫৮ বছরে রংপুর চিনিকলে লোকসান ৩৫২ কোটি টাকা

  • গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের রংপুর চিনিকলে ৫৮ বছরে ৩৫২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। এ লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে গত ৭ ডিসেম্বর ৪৭ দিনের জন্য আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে লোকসানের মাত্রা আরো বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

চিনিকলের বার্ষিক তুলনামূলক কার্য সম্পাদনী প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৭ সালের ৩ ডিসেম্বর মহিমাগঞ্জ এলাকায় রংপুর চিনিকল (রচিক) স্থাপন করা হয়। সেই থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ৪৭ বছরের মধ্যে ১৭ বছর মুনাফার মুখ দেখলেও বাকি ৩০ বছরে লোকসান হয় ১০ কোটি ৩৪ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৭ টাকা। বিশাল অঙ্কের লোকসানের ফলে ২০০৪ সালের ১৯ জানুয়ারি রচিক লে-অফ ঘোষণা করে সরকার। দীর্ঘ ৩ বছর চিনিকল বন্ধ থাকায় কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা কর্মহীন হন। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের আন্দোলনের ফলে ২০০৭ সালে লে-অফ প্রত্যাহার  করে সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, একইভাবে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১ বছরে  লোকসানের মাত্রা দাঁড়ায় ৩৪২ কোটি ২৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪৩ টাকা। সেই হিসেবে লে-অফের পূর্বে ও পরে মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।

অপরদিকে, এ বিশাল অঙ্কের লোকসানের কারণ হিসেবে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও দক্ষ জনবলের অভাবকেই দায়ী করেছেন চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি মৌসুমে ১ লাখ ৫০ হাজার টন আখ মাড়াই হলে লোকসান কেটে ওঠা সম্ভব। কিন্তু সেখানে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টনের বেশি আখ পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads