• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ছবি: ইন্টারনেট

তথ্যপ্রযুক্তি

অ্যানিমেটেড সিনেমার জনককে নিয়ে গুগলের ৩৬০ ডিগ্রি ডুডল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০৫ মে ২০১৮

ডুডল থিম শুরু হওয়ার ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো ৩৬০ ডিগ্রির ডুডল প্রদর্শন করেছে জনপ্রিয় ইন্টারনেট সার্চ জায়ান্ট গুগল। ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ মেলিসের চিত্রকর্ম নিয়েই এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ডুডল প্রদর্শন করছে গুগল।

এই ডুডলের মাধ্যমে জর্জ মেলিসের ১৯১২ সালে উন্মুক্ত হওয়া চলচ্চিত্র ‘কনকোয়েস্ট অব দ্য পোল’ কে স্মরণ করেছে গুগল। বৃহস্পতিবার থেকেই এই ডুডল প্রদর্শন শুরু হয় যা শুক্রবারও দেখা গেছে।

এই বিষয়ে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভ্যারাইটি ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগল ডুডল টিম গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডুডলের জন্য ‘অ্যা ট্রিপ টু দ্য মুন’ নামক এই অ্যানিমেটেড ভিডিওটি নিয়ে কাজ শুরু করেন এবং কাজটি শেষ করতে তাদের সময় লাগে প্রায় ছয় মাস।

এই বিষয়ে নেক্সাস স্টুডিও-র সহ-পরিচালক এফএক্স গ্লোবি জানান, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি নিয়ে গুগলের জন্য করা এটাই তাদের প্রথম কাজ। ১৪০ সেকেন্ডের এই ভিডিওতে মেলিসের কাজের সমস্ত ইফেক্টগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে।

ডুডলটি সম্পূর্ণ দেখার জন্য গুগল ডুডলের ওপর প্রথমে যে ছবিটি দেখা যাচ্ছে সেখানে প্লে বাটনে ক্লিক করতে হবে। তার কিছু সময় পরেই ভিডিওটি স্ক্রিনে বড় আকারে খুলে গেলে সেখানে ৩৬০ ডিগ্রি দেখার বাটন যুক্ত হয়। সেই ভিডিওতে মাউস রেখে ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘোরান। দেখতে পাবেন ‘অ্যা ট্রিপ টু দ্য মুন’ নামক পুরো ভিডিওটি। মেলিসের কাজ সম্পর্কে একটা ধারণা মিলতে পারে ছবিটি দেখে। ইউটিউব সংস্করণে ফরাসি এই পরিচালকের বিভিন্ন চলচ্চিত্র কৌশল এবং শিল্প সম্পদের প্রদর্শন করে। গুগল স্টোরি অ্যাপসহ আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল স্পটলাইট অ্যাপের ইউটিউব চ্যানেলেও দেখা যাবে এই ভিডিওটি।

প্রসঙ্গত, অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ইতিহাসের শীর্ষে থাকা অন্যতম পরিচালক হিসেবে বিখ্যাত জর্জ মেলিস যাকে চলচ্চিত্রে স্পেশাল ইফেক্টের জনকও বলা হয়। উনিশ শতকে সিনেমাকে এক অন্য আঙ্গিকে উপস্থাপন করেন তিনি। ১৯০২ সালে ভিজ্যুয়াল বিভিন্ন টেকনিকের সংমিশ্রণে তৈরি করেছিলেন তাঁর প্রথম অ্যানিমেটেড ছবি ট্রিপ টু দ্য মুন।

চলচ্চিত্র নির্মাণ শিল্পে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও গল্প বলার ধরনে নতুনত্ব প্রবর্তনের জন্য সুপরিচিত ছিলেন মেলিস। ‘অ্যা ট্রিপ টু দ্য মুন’ এরপর ১৯০৪ সালে ‘দ্য ইম্পসিবল ভয়েজার’ নামে আরো একটি চলচ্চিত্র বানান তিনি। আর এই দুটি চলচ্চিত্রকে প্রথম বিজ্ঞান চলচ্চিত্র বা সায়েন্স ফিকশন বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads