• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

ঝুঁকি বিবেচনায় রিজার্ভ ডে রেখেছিল স্পেসএক্স

সংগৃহীত ছবি

তথ্যপ্রযুক্তি

ঝুঁকি বিবেচনায় রিজার্ভ ডে রেখেছিল স্পেসএক্স

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১২ মে ২০১৮

উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যায় বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মহাকাশযাত্রা। তবে বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে এটি উৎক্ষেপণের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কারণে প্রহর বাড়লেও এটি উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে স্যাটেলাইটধারী ৫৭তম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণের দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি স্পেসএক্স এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস করপোরেশন জানিয়েছে, সাধারণত স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সব সময়ই একটি অতিরিক্ত দিন হাতে রাখা হয়। সেই বিবেচনায় দ্বিতীয় দিনটি হাতে রেখেছিল তারা। স্পেসএক্স এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, শেষ মিনিটে কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে উৎক্ষেপণ স্থগিত রাখা হয়েছে। রকেট ও স্যাটেলাইট ভালো অবস্থায় আছে। আজ বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি আবার শুরু হবে।

আগের সময় অনুসারে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৩টা ৪৭ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে যাত্রা শুরুর কথা ছিল এটির। তবে ফ্যালকন ৯-এর স্টার্টআপ মোড শুরু হওয়ার সময়েই তা বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় প্রথম দিনের মতো স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণ কার্যক্রম। তবে সব ঠিক থাকলে শনিবার শেষ রাতে ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ‘ব্লক-ফাইভ’ নিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটকে। ফ্যালকন-৯ ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আট থেকে দশ দিনের মধ্যে কক্ষপথে প্রবেশ করবে।

কেনেডি স্পেস সেন্টারের দুটি স্থান থেকে দর্শনার্থীদের জন্য স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার ব্যবস্থা ছিল। একটি স্থান অ্যাপোলো বা স্যাটার্ন-৫ সেন্টার, উৎক্ষেপণস্থল থেকে যার দূরত্ব ৬ দশমিক ২৭ কিলোমিটার। এ ছাড়া কেনেডি স্পেস সেন্টারের মেইন ভিজিটর কমপ্লেক্স থেকেও স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ দেখার ব্যবস্থা ছিল। উৎক্ষেপণস্থল থেকে এটির দূরত্ব ১২ কিলোমিটার।

ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে প্রথম দিনেই কেনেডি স্পেস সেন্টারে হাজির ছিলেন পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

এ ছাড়া স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখতে ইতোমধ্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন সেখানে। প্রতিনিধি দলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ছাড়াও ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, বাস্তবায়ন নিরীক্ষা বিভাগের সচিব মফিজুল ইসলাম, বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোজাম্মেল হক খান, বিটিআরসির মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন, বিটিআরসির পরিচালক আশিস কুমার কুণ্ডুসহ আরো অনেকে।

তাদের সঙ্গে ছিলেন দেশের বিভিন্ন সংবাদপ্রতিষ্ঠানের অনেক সংবাদকর্মীও। স্থানীয় সময় সকালে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় লঞ্চিং প্যাড, স্যাটেলাইট ও রকেট পরিদর্শনে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মুহূর্তটি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের সব ক’টি বেসরকারি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করার কথা ছিল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads