• মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
ads
চেয়ে পায়নি লাখো গ্রাহক, কমছে আগ্রহ

ছবি : সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি

এমএনপি সেবা

চেয়ে পায়নি লাখো গ্রাহক, কমছে আগ্রহ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নম্বর ঠিক করে অপারেটর বদলাতে (এমএনপি) চেয়েও পারেননি ১ লাখ ৪ হাজার ৭৮৭ গ্রাহক। সেবাটি চালুর পর চার মাসে যত গ্রাহক এমএনপি সেবা পেয়েছেন তার তুলনায় সেবা না পাওয়ার সংখ্যাও প্রায় সমান। এই সময়ে সব মিলে এমএনপি সেবা নিতে পেরেছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৬২১ জন। এই অবস্থায় এই অপারেটর বদলে গ্রাহকের আগ্রহ ক্রমান্বয়ে কমছে।

বিটিআরসির তথ্য বলছে, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর দেশে এমএনপি চালুর পর চার মাসে এই সেবা গ্রহীতার সংখ্যা নিম্নমুখী। গত বৃহস্পতিবার বিটিআরসির দেওয়া হিসাবে দেখা যায়, এমএনপি চালুর প্রথম মাস ২০১৮ সালের অক্টোবরে এই সেবা নিতে আবেদন করেন ৭৬ হাজার ৩৪৭ জন গ্রাহক। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৩১২ জন সফল হন। ব্যর্থ হন ৩২ হাজার ৩৫ জন।

নভেম্বরে আবেদন করেন ৫৮ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে সেবা নিতে পারেন ৩২ হাজার ৭৭৩ জন। আর পারেননি ২৬ হাজার ৩৯ জন। ডিসেম্বরে মোট আবেদন করেন ৫৬ হাজার ৫৫২ জন। সেবা পান ২৯ হাজার ২৫৮ জন। আর পাননি ২৭ হাজার ২৯৪ জন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে এই সেবার জন্য আবেদন করেন ৪৬ হাজার ৮৬৮ জন।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক যেতে পারেনি গ্রামীণফোন হতে। অপারেটরটির ৩৯ হাজার ৮৫৭ গ্রাহক এমএনপি সেবা নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। রবি হতে যেতে চেয়ে পারেননি ১৪ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক। বাংলালিংকের ৪৪ হাজার ৩১ জন। সরকারি অপারেটর টেলিটকের ৬ হাজার ৩ জন।

টেলিকম খাত বিশেষজ্ঞ এবং মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটবের সাবেক মহাসচিব এবং প্রধান নির্বাহী টিআইএম নূরুল কবীর বলেন, আসলে এমএনপি এখন হতে ৫-৭ বছর আগে চালু হওয়া উচিত ছিল। বাজার তখন এমএনপির জন্য অ্যাপ্রোপিয়েট ছিল। ইন্টারোডাকশনটা অনেক লেইটে হয়েছে যখন মার্কেটে অনেক নীতিমালা চলে আসছে, এসএমপিও করা হয়েছে। এই এসএমপিও করার দরকার হতো না যদি এমএনপিটা আরো ৫-৭ বছর আগে করা হতো।

তিনি বলেন, বিজনেস কেসের দিক হতে মনে করি এমএনপির লেইট স্টার্টটা ঠিক হয়নি। আমাদের দেশ মাল্টি সিমার কান্ট্রি, আমাদের বিহ্যাভিয়ার প্যাটার্ন, কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স তার সঙ্গে এটা মেলে না।

নূরুল কবীর বলেন, সাধারণ গ্রাহক বিভিন্ন প্যাকেজের ওপর নির্ভর করে সিম বদল করে, সেক্ষেত্রে এই অভ্যাস একটি অনীহার কারণ। আবার এমএনপির জন্য যে পরিমাণ প্রচার-প্রপাগান্ডার দরকার ছিল তা হয়নি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads