• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা আবশ্যক

ছবি : সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি

ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রযুক্তি শিক্ষা আবশ্যক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৭ এপ্রিল ২০১৯

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবে টিকে থাকার জন্য প্রযুক্তিগত শিক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য। প্রযুক্তি শিক্ষা রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করাতে না পারলে একবিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে না।

মন্ত্রী গতকাল ঢাকায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) ক্যাম্পাসে বিইউপি তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত টেকসার্জেন্স ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, কারিগরি শিক্ষা নিয়ে যত এগিয়ে যেতে পারব, অগ্রগতি তত ত্বরান্বিত হবে। ইন্টারনেট হচ্ছে জ্ঞানের ভাণ্ডার। শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তির শিক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কায়িক শ্রম ও অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মেধা অনেক বেশি শক্তিশালী। আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের যে যাত্রা শুরু করেছে তা এগিয়ে নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে।

কৃষিযুগ থেকে শিল্পবিপ্লবের বিবর্তনের ক্রমবিকাশের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলের জন্য কৃষিযুগটা খুবই সমৃদ্ধ ছিল। এর পরের রূপান্তর পৃথিবী শিল্প যুগে প্রবেশ করেছে। যন্ত্রকে ঠেকাতে হরতাল হয়েছে। পরবর্তীতে বুঝতে পেরেছে প্রযুক্তি ঠেকানো যায় না। আমরা তিনটি শিল্পবিপ্লব মিস করেছি। কিন্তু গত দশ বছরে প্রযুুক্তিতে ৩২৪ বছর পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্প যুগে নেতৃত্বের জায়গায় নিয়ে আসতে আমরা সক্ষম হয়েছি। প্রথম শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা ডিজিটাল বিপ্লবের উপযোগী শিক্ষায় রূপান্তর শুরু হয়েছে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬-৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশ হাজার প্রোগ্রামার বানানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত দশ বছরে বাংলাদেশ প্রযুক্তিতে বিস্ময়কর অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ২০৪১ সালের জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ নির্মাণের পথে এখন বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়ে।

অনুষ্ঠানে বিইউপি ভিসি এমদাদ-উল বারি বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী পরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রযুুক্তির উদ্ভাবন মেলার স্টল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads