• বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৫
ads
গ্রামীণফোনে আবার আসছে এসএমপি বিধিনিষেধ

ছবি : সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি

গ্রামীণফোনে আবার আসছে এসএমপি বিধিনিষেধ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ এপ্রিল ২০১৯

আগামী সপ্তাহের মধ্যে এসএমপির বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে যাচ্ছে গ্রামীণফোন। প্রক্রিয়াগত কারণে মাঝে কিছুদিন স্থগিত রাখার পর গ্রাহক সেরা অপারেটরটিকে আবারো এসএমপির শর্ত পূরণে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে বিটিআরসি গ্রামীণফোনের এসএমপির শর্ত নিয়ে আলোচনা করবে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার কাছ থেকেও দিকনির্দেশনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক।

এর আগে গত ১৯ মার্চ আগের বিধিনিষেধ বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তখন বিধিনিষেধ সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি নতুন করে শুরু করে কমিশন।

গ্রামীণফোনকে গত ফেব্রুয়ারিতে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর চারটি বিধিনিষেধ আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে ওই সময় শর্ত আরোপের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে বিধি না নামার কারণে আগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়।

এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল এসএমপি ঘোষিত অপারেটরকে তাদের ওপর আরোপ হতে চলা বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবহিত করে মতামত জানতে চাওয়া।

গত ১৯ মার্চ বিটিআরসি ১৫ দিনের সময় দিয়ে গ্রামীণফোনের কাছে মতামত চায়। ইতোমধ্যে অপারেটরটি তাদের মতামত জানিয়েছে। কমিশন এখন তা পর্যালোচনা করছে।

এর আগে গ্রামীণফোনের ওপর আরোপ করতে ২০টি বিধিনিষেধের একটি তালিকা করা হয়। তার মধ্যে থেকেই চারটি শীর্ষ অপারেটরটির ওপর কার্যকর করা হবে।

বুধবারের বৈঠকে এসএমপি নিয়ে সিদ্ধান্ত এলে তা দ্রুত কার্যকর করতে পরবর্তী নির্দেশনা জারি করা হবে বলেও জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

এর আগে গ্রামীণফোনকে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণার পর ১৮ ফেব্রুয়ারি চারটি শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এসব শর্তের মধ্যে ছিল, এমএনপিতে আসা গ্রাহক আটকে রাখার সীমা কমানো, করপোরেট সেবার ক্ষেত্রে এক্সক্লুসিভিটি বা একক অধিকার না রাখতে দেওয়া, কলড্রপের হার কমিয়ে দেওয়া, নিজেদের সেবার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রাখা।

এরপর বিষয়টি নিয়ে গ্রামীণফোন উচ্চ আদালতে গেলে তারা স্থগিতাদেশ পেয়ে যায়। একই সঙ্গে হাইকোর্ট পুরো প্রক্রিয়াটিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চায় বিটিআরসির কাছে।

আইনি প্রক্রিয়া মোকাবেলার পাশাপাশি আগেরবার পুরোপুরি বিধি অনুসরণ না করায় নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয় কমিশনকে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads