• সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫
ads
রবি ডাটাথন চ্যাম্পিয়ন ইন্সটিংক্ট

ছবি : সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি

রবি ডাটাথন চ্যাম্পিয়ন ইন্সটিংক্ট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ এপ্রিল ২০১৯

দেশের ডাটা সায়েন্স কমিউনিটিকে নিয়ে রবি আয়োজিত ডাটাথন প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার একটানা ২৪ ঘণ্টা এ প্রতিযোগিতা চলে। শনিবার সন্ধ্যায় বিজয়ী দলের সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। বিচারকদের রায়ে ইন্সটিংক্ট দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন আবু মোহাম্মদ সাব্বির খান, ইশফাক জামান, নুরেন শামস ও শরিফুল ইসলাম ফয়সাল। ডাটাথনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বেস্ট ফিটেড এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে আউটলায়ারস দল।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে ১ লাখ টাকা। দুজন সেরা ডাটা বিজ্ঞানী ও দুজন সেরা ডাটা প্রকৌশলী প্রত্যেকে পেয়েছেন ১ লাখ করে টাকা। প্রতিযোগিতায় মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হয়। ডাটাথনে সেরা ডাটা বিজ্ঞানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইশফাক জামান ও নুরেন শামস এবং সেরা ডাটা প্রকৌশলী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. কাইফ হোসেন ও পরিমল চন্দ্র।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এখন প্রতি মুহূর্তে যে পরিমাণ ডাটা তৈরি হচ্ছে তাতে আমাদের সামনে দুটি পথ খোলা আছে, হয় আমরা অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হব অথবা ডাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করব। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে ১ হাজার ডাটা সায়েন্টিস্ট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের। এ সময় রবি ডাটাথনের মতো উদ্যোগ হাতে নিয়ে আমাদের কাজকে আরো সহজ করে দিয়েছে।

রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো ডাটাথন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশে ডাটা বিজ্ঞানী ও ডাটা প্রকৌশলীদের একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে।

ডাটাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন শুরু হয় গত ২৫ মার্চ। চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য ৮৪ জন প্রতিযোগীকে নির্বাচন করা হয়। তারা ২১টি দলে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ডাটা সায়েন্স সম্পর্কিত নানা সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়। এরপর নির্ধারিত কয়েকটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দলের যোগ্যতা যাচাই করেন বিচারকরা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads