• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
আইরিশ স্ক্যানিংয়ে মিলবে রোগীর সব তথ্য

সংগৃহীত ছবি

তথ্যপ্রযুক্তি

স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রযুক্তি

আইরিশ স্ক্যানিংয়ে মিলবে রোগীর সব তথ্য

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৬ জুলাই ২০১৯

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক এ কে আজাদ জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এমন একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করছে, যেখানে প্রতিটি মানুষের একটি ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড থাকবে। আমাদের এই সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণভাবে চালু করা হলে সংগত কারণে হাসপাতালে আসা যেকোনো রোগীর তথ্য বের করা যাবে। এমনকি বায়োমেট্রিক এবং আইরিশ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত এবং রোগীর আগের সব হেলথ রেকর্ড পাওয়া যাবে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের (বিইউএইচএস) ইব্রাহিম অডিটরিয়ামে আয়োজিত ক্যারিয়ার সিম্পোজিয়াম ইন হেলথ ইনফরমেটিকস শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমরা ওপেন মেডিকেল রেকর্ড সিস্টেম প্লাস সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করছি। আমাদের এই সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণভাবে চালু করা হলে সংগত কারণে হাসপাতালে আসা যেকোনো রোগীর তথ্য বের করা যাবে।

এমনকি নিজের বিষয়ে জানাতে অক্ষম এমন রোগীরও বায়োমেট্রিক এবং আইরিশ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত এবং রোগীর আগের সব হেলথ রেকর্ড পাওয়া যাবে।

এ সময় তিনি বলেন, হেলথ ইনফরমেটিকস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে গেছে। এই যে স্মার্টফোনের ব্লুটুথ দিয়ে স্মার্টওয়াচ সংযোগ দেওয়া হয়। আর এই স্মার্টওয়াচই এখন ব্লাডপ্রেশার, ব্লাডসুগার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করছে। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই, যেদিন এই স্মার্টওয়াচেই রক্তের গ্রুপ, সিটিস্ক্যান বা এমআরআইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর তথ্য পাওয়া যাবে। ছোট্ট এই ডিভাইসে এবং এই তথ্যগুলো রিয়েলটাইমে জমা হবে ন্যাশনাল সার্ভারে।

অনুষ্ঠানে অ্যালাইড হেলথ সায়েন্সের ডিন ও হেলথ ইনফরমেটিকস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শারমীন পারভীন বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবাকে সহজীকরণ করার জন্য হেলথ ইনফরমেটিকস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি বলেন, দেশের মধ্যে একমাত্র এই বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসই হেলথ ইনফরমেটিকস নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে অবশ্যই প্রযুক্তির সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের সমন্বয় করতে হবে। আর তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে এই খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারলে দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরো ত্বরান্বিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. শারমীন পারভীন।

নতুন প্রজন্মের কাছে জাতীয় উন্নয়ন এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্ককে আগ্রহী ও পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের হেলথ ইনফরমেটিকস বিভাগের আয়োজনে এই ক্যারিয়ার সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন বিইউএইচএসের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম ও এনামুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads