• বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬
ads

তথ্যপ্রযুক্তি

গ্রামীণফোন ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন দিল মন্ত্রণালয়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ অক্টোবর ২০১৯

দেশের দুই শীর্ষ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গ্রামীণফোন-রবিতে প্রশাসক নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।  গতকাল বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই অপারেটর দুটিতে প্রশাসক বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিটিআরসি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। আমরা অনুমোদন দিয়েছি। এখন বিটিআরসি ঠিক করবে প্রশাসক বা রিসিভার হিসেবে কাকে নিয়োগ দেবে, কীভাবে নিয়োগ দেবে, প্রশাসকের কোনো সহযোগী থাকবে কি না।

বিটিআরসির দাবি অনুযায়ী, গ্রামীণফোন ও রবির কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা ১৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি টাকা। এ টাকা আদায়ে ব্যান্ডউইডথ সীমিত করা এবং প্যাকেজ ও সরঞ্জামের ছাড়পত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল বিটিআরসি। তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় এরপর ৫ সেপ্টেম্বর দুই অপারেটরকে লাইসেন্স (টু-জি ও থ্রি-জি) বাতিল কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়।  এরপরই আসে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। 

গ্রামীণফোন ও রবিতে প্রশাসক বসিয়ে পাওনা টাকা আদায় করতে চায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। পাশাপাশি আইনেও প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো অপারেটর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে তার লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিত করতে পারে বিটিআরসি। লাইসেন্স স্থগিত করা হলে সরকারের অনুমোদন নিয়ে প্রশাসক (অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা রিসিভার) নিয়োগ দেওয়া যায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads