• মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
মুক্তি পেলেন হাসনাত

নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসনাত রেজাউল করিম

সংরক্ষিত ছবি

আইন-আদালত

হলি আর্টিজান মামলা

মুক্তি পেলেন হাসনাত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১০ আগস্ট ২০১৮

হলি আর্টিজান হামলা মামলায় অব্যাহতি পাওয়ায় কারাগার থেকে মুক্তি মিলেছে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসনাত রেজাউল করিমের। দুই বছর কারাগারে থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় কারা ফটকে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে একটি কালো জিপে করে স্বজনদের সঙ্গে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন হাসনাত করিম। উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলতে চাননি।

হলি আর্টিজানের ঘটনায় করা মামলায় গত বুধবার হাসনাত করিমকে অব্যাহতি দেন আদালত। সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবর রহমান ওই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের (হাই সিকিউরিটি সেল) জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক শাহজাহান আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, হাসনাত করিমকে হলি আর্টিজান মামলায় অব্যাহতি দিয়ে আদালত থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয় তার পরিপ্রেক্ষিতেই বিকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

হাসনাত করিমের স্ত্রী শারমিনা করিম জানান, অবশেষে হাসনাত জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিনি মুক্তি পাওয়ায় আমরা খুশি। আমাদের বিশ্বাস ছিল সে যেহেতু নির্দোষ, সেহেতু আজ হোক কাল হোক মুক্তি সে পাবেই। কিন্তু এই দুটি বছর আমাদের দুঃসহ জীবন পার করতে হয়েছে।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে যখন জঙ্গিরা হামলা চালায়, তখন স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সেখানে ছিলেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী হাসনাত করিম। ঢাকার বনানীর ব্যবসায়ী প্রকৌশলী রেজাউল করিমের ছেলে হাসনাত করিম মেয়ের জন্মদিন উদযাপনের জন্য হলি আর্টিজানে গিয়েছিলেন বলে তখন তারা জানিয়েছিলেন। ওই ক্যাফেতে জঙ্গিরা ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে; এরপর কমান্ডো অভিযানে হাসনাত করিমের পরিবারসহ কয়েকজন জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পান।

কিন্তু ওই ক্যাফেতে জিম্মি দশার একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর হাসনাতকে নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। হামলার পরদিন ভোরে ধারণ করা ওই ভিডিওতে হাসনাত করিমকে জঙ্গিদের সঙ্গে আলাপ করতে দেখা যায়। তবে হাসনাতের স্ত্রী জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, জিম্মি অবস্থায় তাদের বিভিন্ন নির্দেশ মেনে কাজ করতে হয়েছিল।

দুই বছর পর তদন্ত শেষ করে হলি আর্টিজান মামলায় হাসনাত করিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads