• মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

সংগৃহীত ছবি

আইন-আদালত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১৪ নভেম্বর ২০১৮

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে বিচারিক আদালত।  ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের সার্টিফায়েড কপি বুঝে নেয় মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

এদিকে খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান জানান, বিচারিক আদালত থেকে পূর্ণাঙ্গ রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেয়েছি। এখন দ্রুততম সময়ে আমরা আপিলের প্রস্তুতি নেব।

গত ২৯ অক্টোবর এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেয় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড মো. আখতারুজ্জামান। একই রায়ে খালেদা জিয়ার প্রাক্তন রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরী, তার একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানেরও সমান সাজা দেয় আদালত। রায়ে শহীদ জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে কেনা ঢাকার কাকরাইল মৌজার ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
এর আগে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। পরে আপিলে সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয় হাইকোর্ট।

অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় ঘোষণার পর থেকেই খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। মাঝে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেয়া শেষে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads