• সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬
ads

আইনমন্ত্রী

ফাইল ফটো

আইন-আদালত

যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আইন প্রায় 'চুরান্ত পর্যায়ে '

  • আসিফ উল আলম সোহান
  • প্রকাশিত ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আইন 'প্রায় চুরান্ত'

মানবতাবিরোধী অপরাধীদের পরিবারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে আইনি কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন মন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কাজ গত বছর থেকেই শুরু হয়েছে। এখন এটা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।’

কসবায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রেনে করে ঢাকা থেকে আখাউড়ায় আসেন আইনমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়ক পথে যান কসবায়।

এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীর হাতে কাগজের নৌকা তুলে দেয়। পাশাপাশি ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করা হয়।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরাকরের আমলে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া একাত্তরের আলবদর বাহিনীর দুই শীর্ষ নেতা প্রধান মতিউর রহমান রাজধানীর বনানীতে এবং আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ উত্তরায় সরকারি জমি বরাদ্দ পান। দুটি জমিতেই বহুতল ভবন নির্মাণ হয়েছে।

বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে দুই নেতার ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আর এই রায়ের পর থেকেই যুদ্ধাপরাধীদের বরাদ্দ দেওয়া সরকারি সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবি উঠে।

একই সরকারের আমলে পূর্বাচলে জমি বরাদ্দ পেয়েছেন আরেক মানবতাবিরোধী অপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। তিনি আমৃত্যু কারাদ- নিয়ে আছেন কাশিমপুর কারাগারে।  

২০১৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আইন করার কথা জানান। এরপর এরপর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুর খুনি ও দ-িত যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার একটি প্রস্তাব জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। তবে সেই আইন এখনো মন্ত্রিসভায় ওঠেনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads