• মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রাণ-ফার্ম ফ্রেশের পাস্তুরিত দুধ বিক্রিতে বাধা নেই

সংগৃহীত ছবি

আইন-আদালত

প্রাণ-ফার্ম ফ্রেশের পাস্তুরিত দুধ বিক্রিতে বাধা নেই

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৩০ জুলাই ২০১৯

মিল্ক ভিটার পর প্রাণ মিল্ক ও ফার্ম ফ্রেশের পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন এবং বিক্রির ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার আদেশ ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। আজ মঙ্গলবার কোম্পানি দুইটির আবেদনে চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। 

এ দুটি কোম্পানির পক্ষেও শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল
মো. মুরাদ রেজা।

এর আগে সোমবার মিল্ক ভিটার ক্ষেত্রেও হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার আদেশ চেম্বার আদালত আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে।

ফলে বাজারে মিল্ক ভিটা, প্রাণ মিল্ক ও ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক বিক্রিতে আপাতত আর কোনো বাধা রইল না।

এর আগে গত ২৮ জুলাই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন প্রাপ্ত ১৪টি পাস্তুরিত দুধ কোম্পানিকে দুধ উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহ বন্ধে পাঁচ সপ্তাহের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয় হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে এসব কোম্পানির দুধ যাতে মানুষ খাওয়ার জন্য ক্রয় করতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেয়া হয়।

ওই ১৪ কোম্পানি হলো- আফতাব মিল্ক অ্যান্ড মিল্ক প্রোডাক্ট লিমিটেড (আফতাব মিল্ক), আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড (ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক), আমেরিকান ডেইরি লিমিটেড (মো), বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্কভিটা), বারো আউলিয়া ডেইরি মিল্ক অ্যান্ড ফুডস লিমিটেড (ডেইরি ফ্রেশ), ব্রাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্ট (আড়ং মিল্ক), ডেনিশ ডেইরি ফার্ম লিমিটেড (আয়রান), ইছামতি ডেইরি ফার্ম অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস (পিওরা), ইগলু ডেইরি লিমিটেড (ইগলু), প্রাণ ডেইরি লিমিটেড (প্রাণ মিল্ক), উত্তরবঙ্গ ডেইরি লিমিটেড (মিল্ক ফ্রেশ), শিলাইদহ ডেইরি (আল্ট্রা মিল্ক), পূর্ববাংলা ডেইরি ফুড ইন্ড্রাস্ট্রিজ (আরওয়া) এবং তানিয়া ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস (সেইফ)।

এদের মধ্যে মিল্ক ভিটা, প্রাণ মিল্ক ও ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন জানায়।

এর আগে গত ১৪ জুলাই এই ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে চারটি ল্যাবকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

ওই চারটি ল্যাব হলো- বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি), বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি।

পরে ল্যাবরেটরিগুলোরে প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, সবগুলো কোম্পানির দুধেই অ্যান্টেবায়োটিক, সিসাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads