• শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
‘পি কে হালদার হাইকোর্টকে ধোঁকা দিয়েছেন’

ফাইল ছবি

আইন-আদালত

‘পি কে হালদার হাইকোর্টকে ধোঁকা দিয়েছেন’

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৮ নভেম্বর ২০২০

তিন হাজার কোটি টাকা আত্মাসাৎ করে কানাডায় পালিয়ে যাওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারকে ধরে আনতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে সাহায্য চাইবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দু-একদিনের মধ্যে ইন্টারপোলের নিকট চিঠিও পাঠানো হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পি কে হালদার হাইকোর্টকে ধোঁকা দিয়েছেন। সে জন্য আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ধরে আনার চেষ্টা করছে দুদক। প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে ইন্টারপোলের কাছে হয়তো চিঠি চলে যাবে বলেও তিনি জানান। গত ৭ সেপ্টেম্বর পি কে হালদারের দেশে ফেরার বিষয়ে একটি আবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। ওই আবেদনে বলা হয়, পি কে হালদার ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিনিয়োগকারীদের যে টাকা নিয়ে গেছেন, তা উদ্ধারে সহায়তা করতে দেশে ফিরতে চান। এ জন্য দুদক বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার এড়িয়ে থাকতে চান আদালতের কাস্টডিতে।

আবেদনের শুনানি নিয়ে ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট পি কে হালদার দেশে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। এ আদেশের পর অসুস্থতার অজুহাতে দেশে ফিরবেন না বলে জানান পি কে হালদার।

বর্তমানে কানাডায় আছেন পি কে হালদার। তার বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে বিভিন্ন কৌশলে দেড় হাজার কোটি এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে আরো দুই হাজার কোটি টাকা বের করে বিদেশে পাচারের অভিযোগ আছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকা অবস্থায় আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন পি কে হালদার। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে থাকা ৮৩ জনের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কৌশলে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি ও তার সহযোগীরা।

হালদারের বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

চলতি বছরের শুরুতে পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যান বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তার পাসপোর্ট, সম্পত্তি জব্দ করা হয়। আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে তাকে অপসারণও করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads