• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো: আল জাজিরা

এই ওভেনেই খাশোগির দেহ পোড়ানো হয় বলে আলজাজিরার তদন্তে উঠে আসে

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য

খাসোগি হত্যাকাণ্ড

হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো: আল জাজিরা

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৫ মার্চ ২০১৯

সৌদি আরবের সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে রহস্য ক্রমেই জট পাকাচ্ছে। এখনও সমাধান হয়নি আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের। এ নিয়ে সর্বশেষ আল জাজিরার একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনসুলেটের ভিতরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার শরীর টুকরো টুকরো করে বড় আকারের একটি ওভেন বা চুল্লিতে পোড়ানো হয়। আর তা করা হয় ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসভবনের এক ওভেনে। এছাড়া কনসুলেট অফিসের ওয়ালে খাসোগির রক্তের দাগ দেখতে পেয়েছেন তুরস্কের তদন্তকারীরা।

রোববার রাতে খাশোগি হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবলিত একটি অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র প্রচার করেছে আলজাজিরা। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কনসুলেট ভবনের বাইরে একটি বড় চুল্লি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেখানে জামাল খাশোগিকে পোড়ানো হয়। কিন্তু তাকে কীভাবে পোড়ানো হয় সে বিষয়টি মনিটরিং করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ।

ডকুমেন্টরিটিতে দেখা গেছে, ওই চুল্লির আশেপাশে কিছু ব্যাগ পড়ে আছে। আল জাজিরার ধারণা কনসুলেট ভবনের ভিতরে জামাল খাসোগিকে হত্যার পর তার দেহের বিভিন্ন অংশ এসব ব্যাগে করে ওই চুল্লির কাছে নেয়া হয়েছিল। চুল্লিটি কনসুলেট থেকে কয়েকশত মিটার দূরে।

আল জাজিরা চুল্লি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই ব্যক্তি বলেন, সৌদি কনসুলের সুনির্ষ্টি নির্দেশনা অনুযায়ী চুল্লিটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল এটি হতে হবে অনেকটা গভীর। আর ভিতরের তাপমাত্রা হতে হবে ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে, যাতে এই তাপে ধাতব পদার্থ পর্যন্ত গলে যায়।

আল জাজিরার রিপোর্টে বলা হয়, শরীরের কোনো অংশ যাতে অবশিষ্ট না থাকে, সেজন্য হত্যাকাণ্ডের পর খাসোগির মরদেহের টুকরো ওভেনে সিদ্ধ করা হয়েছিল। দেহের অংশবিশেষ ওভেনে দিয়েও জ্বালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে কনসুলেট হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে।

নতুন এই ডকুমেন্টটরিটি নিরাপত্তা কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও খাসোগির তুর্কি কিছু বন্ধুর সাক্ষাতকারের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২ অক্টোবর ওয়াশিংটন পোস্টের এই কলামিস্টকে হত্যার পর কনসালের দেয়াল নতুন করে রং করা হয়। তদন্তকারীরা সেই রং ওঠে ফেলার পর দেয়ালে রক্তের আলামত পেয়েছেন। তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads