• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৯ আশ্বিন ১৪২৭
ads
ইসরাইলের অর্থভান্ডার সমৃদ্ধ হবে

সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্য

আরবদের সঙ্গে চুক্তি

ইসরাইলের অর্থভান্ডার সমৃদ্ধ হবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

আরবদের সঙ্গে চুক্তির ফলে ইসরাইলের অর্থভান্ডার ব্যাপক সমৃদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ওয়াশিংটনে যাওয়ার প্রাক্কালে এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

ওয়াশিংটনে এ সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, এক মাসের মধ্যে দুই আরব দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এটা অসাধারণ। আর এই করোনার সময়ে এটা আরো চমকপ্রদ। এর চুক্তিগুলো ইসরাইলের কোষাগারে লাখ লাখ ডলার নিয়ে আসবে।

নিজ নিজ দেশের পক্ষে আব্রাহাম অ্যাকর্ড নামের এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আমিরাত ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে এটিকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ট্রাম্প।

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি প্রভাব বলয়ের দুই দেশ আমিরাত-বাহরাইনের সঙ্গে এ চুক্তির মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলে নিজের বিচ্ছিন্ন অবস্থা কাটাতে সমর্থ হবে ইসরাইল। এছাড়া আরবদের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে আসায় জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদের ব্যাপারেও এখন আরো শক্ত অবস্থান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে দেশটির। কেননা একাধিক মুসলিম দেশ এরই মধ্যে ইসরাইলকে মেনে নিয়েছে। ফলে আল আকসা মসজিদকেন্দ্রিক মুসলিম বিশ্বের চাপ অনেকটাই হালকা হয়ে গেল দেশটির জন্য।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের প্রকাশ্য কোনো ঘোষণা না এলেও গত কয়েক বছর ধরেই দেশ দুটির গোপন সম্পর্কের কথা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়ে আসছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরাইল ইস্যুতে কথা বলেন এমবিএস নামে পরিচিত সৌদি যুবরাজ। তিনি বলেন, বহু বিষয়ে ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। আর ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি ইসরাইলিদেরও তাদের নিজেদের ভূমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ‘অধিকার’ রয়েছে।

সম্প্রতি ইসরায়েল-আমিরাতের মধ্যকার ফ্লাইট চলাচলের জন্য সৌদি আকাশসীমা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প। অর্থাৎ রাজতান্ত্রিক আরব সরকারগুলো ক্রমেই ইসরাইলকে মেনে নিচ্ছে। তবে আরব দেশগুলোর এমন অবস্থানকে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির রাজনীতিকরা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads