• বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

সংরক্ষিত ছবি

জাতীয়

সুষমা স্বরাজকে পরিকল্পনামন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৯ আগস্ট ২০১৮

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও সম্মানের ভিত্তিতে বহুবিধ সম্পর্ক গড়ে তোলার নীতি গ্রহণ করেছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেছেন। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত বৈঠকে গতকাল মঙ্গলবার তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনামন্ত্রীর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গতকাল ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দুই দিনের এ সম্মেলন আজ বুধবার শেষ হচ্ছে। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অকৃত্রিম বন্ধুসুলভ সহযোগিতার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত উন্নয়নে ভারতের সহায়তা চেয়েছেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্বাঞ্চলীয় অংশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে চলমান আলোচনা এগিয়ে নিতে সুষমা স্বরাজের সহায়তা চেয়েছেন মন্ত্রী। নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতেও তিনি দেশটির সহযোগিতা চেয়েছেন।

বাংলাদশে, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যকার চার দেশীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক (বিবিআইএন)-এর সাম্প্রতিক সফলতার কথা উল্লেখ করেন মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, বিবিআইএন দেশগুলোর অর্থনীতিতে নবধারার সঞ্চার করে পারস্পরিক সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। চার দেশীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক গঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অভিন্ন পরিবহন নেটওয়ার্ক। উপ-আঞ্চলিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন দৃঢ় করতে বিবিআইএন মোটর ভেহিক্যাল অ্যাগ্রিমেন্ট পারস্পরিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তবে শুল্ক ও অশুল্ক বাধার কারণে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও তিনি সুষমা স্বরাজকে জানান। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে সব ধরনের বাধা দূর করতে তিনি ভারতের প্রতি আহ্বান জানান। সুষম পদ্ধতিতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

এ সময় মুস্তফা কামাল জানান, বাংলাদেশ যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের নিন্দা জানায় এবং এক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। যে কোনো ধরনের ব্যক্তি বা দলের সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডের বাংলাদেশের মাটিতে ঠাঁই নেই। আলোচনায় রোহিঙ্গা সমস্যাও স্থান পায়। এ সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থেকে ভারত সহযোগিতা করবে বলে পরিকল্পনামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগ করে দ্রুত শর্তহীন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে মন্ত্রী ভারতের কার্যকর সহায়তা চেয়েছেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads