• সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না : তদন্ত দল

ডিএসসিসির তদন্ত দল

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয়

চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড

ভবনে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না : তদন্ত দল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পুরান ঢাকার চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ভবন হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনে কোনো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল। ভবনে প্রচুর কেমিক্যাল ছিল, যে কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনা তদন্তে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনসহ আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো পরিদর্শন করে ১১ সদস্যের তদন্ত দল। পরে এক ব্রিফিংয়ে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়।

ভবনের সঙ্গে ভবন লাগোয়া থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনাকে (সাংবাদিক) বুঝতে হবে এটা পুরান ঢাকা। এখানে অনেক আগে থেকেই ভবন তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে রাজউক অনেকদিন ধরে কাজ করছে। তবে সবার আগে দরকার সচেতনতা। এভাবে ভবন নির্মাণের নিয়ম নেই বলেও জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এসএম জুলফিকার রহমান জানান, এই ভবনে আগুন নেভানোর জন্য কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। প্রচুর কেমিক্যাল ছিল, যে কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ওয়াহেদ ম্যানশন পরিদর্শন শেষে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন জানিয়েছিলেন- এই ভবনে কেমিক্যালের কোনো গোডাউন ছিল না। মন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে ডিএসসিসির তদন্ত দলের প্রধান বলেন, ওয়াহেদ ম্যানশনে অবশ্যই কেমিক্যাল ছিল। এখানকার যে পাউডার, সেগুলো কেমিক্যাল। এখানে যেসব প্লাস্টিকের বোতল পাওয়া গেছে, সেগুলোও কেমিক্যাল মাখানো।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে ডিএসসিসি গঠিত ১১ সদস্যের তদন্ত দল চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ঘটনাস্থলে যায়। ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির অপর সদস্যরা হলেন প্রফেসর ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী (পুরকৌশল বিভাগ-বুয়েট), প্রফেসর ড. ইশতিয়াক আহমেদ (পুরকৌশল বিভাগ-বুয়েট), লে. কর্নেল এসএম জুলফিকার রহমান (পরিচালক-ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স), মো. আসাদুজ্জামান (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-ডিএসসিসি), মো. জাফর আহম্মেদ (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-ডিএসসিসি), মো. সিরাজুল ইসলাম (প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ-ডিএসসিসি), মো. নুরুল ইসলাম (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-রাজউক), মো. শাহ আলম (পরিচালক-রাজউক) ও সদস্য সচিব মুন্সী মো. আবুল হাসেম (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-ডিএসসিসি)।
উল্লেখ্য, বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৮১ জন পুড়ে মারা গেছেন। চকবাজারের নন্দকুমার দত্ত রোডের শেষ মাথায় চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পাশে ৬৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ওয়াহিদ ম্যানশনে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আবাসিক ভবনটিতে কেমিক্যাল গোডাউন থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads