• শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৪
ads
খেতাব-সম্মাননা বর্জন শিল্পীদের

অগ্নিঝরা মার্চ

সংরক্ষিত ছবি

জাতীয়

অগ্নিঝরা মার্চ

খেতাব-সম্মাননা বর্জন শিল্পীদের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ মার্চ ২০১৯

একাত্তরের এই দিনে প্রচণ্ড বিক্ষোভের মুখে সেনাবাহিনীর প্রায় সব জেনারেলকে সঙ্গে নিয়ে বিকালে কঠোর সামরিক নিরাপত্তায় ঢাকায় আসেন ইয়াহিয়া খান। ঢাকা বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টিক্কা খান তাকে স্বাগত জানান। এ সময় কোনো সাংবাদিক ও বাঙালিকে বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

বঙ্গবন্ধু ও তার দলের নেতারা যারা ওই বৈঠকে যান তারা কখনোই আশাবাদী হতে পারেননি। তারা বুঝেছিলেন যে, পাকিস্তানিরা একটা চালাকি করছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় পাকিস্তানের সেই চতুরতা, সেই চালাকি পাকিস্তানকে এক করতে দেয়নি। ফলে মুক্তিযুদ্ধ আরো ত্বরান্বিত হয়েছে।

এদিন বায়তুল মোকাররমে জনসভা করে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। সভায় আ স ম রব, আবদুল কুদ্দুস মাখন, শাজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকীসহ শীর্ষ ছাত্রনেতারা বক্তব্য দেন। তারা বলেন, দেশ চালাতে যদি কোনো আইন জারি করতে হয় তা বঙ্গবন্ধুই করবেন। অবিলম্বে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

একদিকে যেমন আলোচনা করছে অন্যদিকে তেমনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিনিয়ত কথাবার্তা চলতে থাকে। বঙ্গবন্ধু দুটি দিকই সামলেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের মনোবল চাঙা রাখতেই এমন মনোভাব নিয়েছিলেন।

আগের দিন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পাকিস্তানের খেতাব হেলালে ইমতিয়াজ বর্জনের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে শিল্পী-বুদ্ধিজীবীরা তাদের যাবতীয় সম্মাননা বর্জন করতে শুরু করেন। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের সমাবেশ। বাঙালি অপেক্ষায় থাকে পরের দিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বৈঠকে কী হয়, তা জানার জন্য। দিনব্যাপী সভা-শোভাযাত্রা হয় রাজধানী ঢাকায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads