• বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
'জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান বেড়ে দাঁড়াবে ৬.৮ শতাংশ'

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০১৯ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

'জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান বেড়ে দাঁড়াবে ৬.৮ শতাংশ'

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২০ এপ্রিল ২০১৯

আগামী ২০২৮ সালে মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬ শমিক ৮ শতাংশ দাঁড়াবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

তিনি বলেছেন, ২০১৭ সালে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপিতে পর্যটন ও ভ্রমণ খাতের অবদান ছিল ৮৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন টাকা। যা মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০২৮ সাল নাগাদ তা ৬ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ওই বছরে ২৪ লাখ ৩২ হাজার কর্মসংস্থান তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করেছে পর্যটন ও ভ্রমণ শিল্প। যা মোট কর্মসংস্থানের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৮ সালের মধ্যে তা ৪ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০১৯ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, পর্যটনের প্রসারে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। পর্যটন শিল্প বিকাশে গণমাধ্যম অন্যতম অনুষঙ্গ। দেশ এবং বিদেশে পর্যটনের প্রসারে গণমাধ্যম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পর্যটকেরা যখন কোথাও ভ্রমণ করতে চান, তখন তারা পর্যটন গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে মূলত গণমাধ্যম থেকে। বর্তমান বিশ্বে গণমাধ্যম একীভূতকরণের যুগে তথ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দক্ষ এবং সহজ। একটি পর্যটন গন্তব্য কে সঠিকভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যম এর কোন বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রচারণার ক্ষেত্রে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসার সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে পর্যটন গন্তব্য সম্পর্কে খবর নেয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও প্রসারে তথ্য বিনিময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে সামাজিক গণমাধ্যম। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজ বোর্ড এর নিজস্ব ওয়েব সাইট ও পেজ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের ওয়েব সাইট ও পেজ গুলিকে আরো পর্যটক বান্ধব এবং তথ্যবহুল করতে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে আমাদের দেশের প্রচুর মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলিতে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। পর্যটনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সম্পদ ও সম্ভাবনা আমাদের রয়েছে। এখন প্রয়োজন আমাদের পর্যটন গন্তব্য গুলোকে সঠিকভাবে, সুন্দরভাবে আমাদের অভ্যন্তরীণ পর্যটক এবং বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি তৌফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠাে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাগমিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, আসাম ট্যুরিজম কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভাস্কর গোখান, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরা ও টোয়াবের পরিচালক তসলিম আমিন শোভন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads