• বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬
ads
কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা: অনেক প্রাণ বেঁচে গেল শাহানের কল্যাণে

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা: অনেক প্রাণ বেঁচে গেল শাহানের কল্যাণে

  • কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৪ জুন ২০১৯

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় রোববার মাঝরাতে সেতু ভেঙে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন স্থানীয় যুবক শাহান মিয়া। তার কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযানে নামে পুলিশ। তিনি সময়মতো ফোন না দিলে আরও অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে যেত।

শাহান মিয়ার বাড়ি কুলাউড়ার আকিলপুর গ্রামে। তিনি কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।

মধ্যরাতে  ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে চমকে ওঠে কুলাউড়া থানা পুলিশ। ওই যুবক পুলিশকে জানায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার খবর। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয় পুলিশ। পৌঁছে দেখে ঘটনা সত্য। ওই যুবক সময় মতো ফোন না দিলে আরও অনেক প্রাণহানি হতে পারত বলে জানান কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান।

শাহান মিয়া জানান, আমি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বরমচাল সেতুর অনেকটা দূরে ছিলাম। হঠাৎবিকট শব্দ শুনতে পাই। সেই সঙ্গে ভেসে আসে মানুষের কান্না, চিৎকার। তাকিয়ে দেখি, বরমচাল সেতু ভেঙে ট্রেনের বগি নিচে পড়ে গেছে। কাছে যেতেই মানুষের কান্নার আওয়াজ আরও জোরে শোনা যেতে লাগলো । ঘটনার ২-৩ মিনিটের মধ্যেই আমি ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেই। সঙ্গে সঙ্গে রিসিভ হয় ফোন। তখন পুলিশকে পুরো ঘটনা খুলে বলি। যদি সময়মতো পুলিশ না আসতো আরও অনেক মানুষ মারা যেত।  ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। তাদের সাথে তিনি উদ্ধার কাজে যোগ দেন।

কুলাউড়া থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান জানান, রাত ১২টার কিছুক্ষণ আগে এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনার খবর জানায়। এত রাতে বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনার খবর শুনেও অবাক হই আমরা। তখনই ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেই। সেখান থেকে ৪ জনের মরদেহ এবং অন্তত দুই শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, ইতোমধ্যে উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার রাত ১২টার দিকে কুলাউড়ার বরমচাল স্টেশনের পাশে ঢাকাগামী উপবনের বগি ছিটকে পড়ে। তিন সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে রাতে সিলেট স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads