• শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি ২০২১, ৮ মাঘ ১৪২৭
শাহজালালে বসানো হয়েছে ই-পাসপোর্ট গেট

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয়

শাহজালালে বসানো হয়েছে ই-পাসপোর্ট গেট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৫ জুন ২০১৯

পৃথিবীর ১২০তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী জুলাই থেকে বাংলাদেশের নাগরিকরা ই-পাসপোর্টের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ই-পাসপোর্ট গেট বসানো হয়েছে। এটি চালু হলে সহজ হবে দেশের প্রধান এ বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া।

বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি নিয়ে ইমিগ্রেশন পার হতে গেলে ৫-৭ মিনিট সময় লাগে বিদেশ গমনকারী ব্যক্তি কিংবা দেশে আগমনকারীদের। কিন্তু ই-পাসপোর্ট থাকলে কয়েক সেকেন্ডেই পার হতে পারবেন যাত্রীরা। এমনকি আগের মতো যাত্রীদের লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষাও করতে হবে না।

ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, ই-গেট এমন একটি প্রযুক্তি, যা দ্রুততম সময়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। ই-গেটে গমন বা আগমনকারী ব্যক্তির পাসপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিডার ও ক্যামেরার সাহায্যে চিপযুক্ত পাসপোর্ট যাচাই, ফিঙ্গার প্রিন্ট ও রিকগনিশনের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ভেরিফিকেশনে ব্যক্তির তথ্য সঠিক থাকলে ই-পাসপোর্ট গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, কোনো ভুয়া পাসপোর্টধারী ইমিগ্রেশন পার হওয়ার চেষ্টা করলেই ধরা পড়ে যাবে ই-গেটে। ফলে কোনো অপরাধী পরিচয় গোপন করে ই-গেট অতিক্রম করতে পারবে না। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, জুলাই থেকে নাগরিকদের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেবা সুরক্ষা বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ৫০টি ই-গেট স্থাপন করা হবে।

জানা যায়, জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এসব ই-গেট আনা হচ্ছে। প্রথম দফায় ঈদুল ফিতরের আগে কয়েকটি ই-গেট দেশে আসে। ঈদের পর গেট তিনটি স্থাপন করা হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।  পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমেই দেশের তিনটি বিমানবন্দর ও দুটি স্থলবন্দরে সেগুলো বসানোর কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। তবে পর্যায়ক্রমে অন্য বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরেও ই-গেট স্থাপন করা হবে বলে জানা যায়।

ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান বলেন, আগামী পহেলা জুলাই থেকে নাগরিকদের ই-পাসপোর্ট দেওয়া শুরু হবে। ই-পাসপোর্টের সুফল দিতেই আমরা পরীক্ষামূলকভাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি গেট স্থাপন করেছি। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে ই-গেট স্থাপন করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads