• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
ফুটওভার ব্রিজে ভোগান্তি

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

ফুটওভার ব্রিজে ভোগান্তি

  • এ এইচ এম ফারুক
  • প্রকাশিত ২৭ জুন ২০১৯

রাজধানী ঢাকায় দুই সিটি করপোরেশনের আওতায় মোট ৮৪টি পদচারী সেতু বা ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫২টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতায় ৩২টি ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে। তা-ও আবার এগুলোর অধিকাংশই একদিকে অব্যবস্থাপনা আর অবহেলায়; অন্যদিকে ভাসমান পতিতা, ভিক্ষুক, হকার ও মাদকাসক্ত ভবঘুরেদের দখলে চলে গেছে। ফলে পথচারীদের উপকারের বিপরীতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে এসব ফুট ওভারব্রিজ। বিশেষ করে রাতের ফুটওভার ব্রিজ যেন নগরবাসীর জন্য ভয়ংকর অভিজ্ঞতার জায়গা।

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময় নির্মিত দুই সিটির এই ফুট ওভারব্রিজগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে ২৩টি। প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা এ ফুট ওভারব্রিজগুলোর বেশির ভাগ পথচারীরা ব্যবহার করেন না। অভিযোগ রয়েছে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে এ ফুট ওভারব্রিজগুলো যথাস্থানে নির্মাণ করা হয়নি বলে অনেকাংশে ব্যবহূত হচ্ছে না। এ ছাড়া হকার, ছিন্নমূল মানুষ, ভিক্ষুক, মাদকসেবী ও ভ্রাম্যমাণ পতিতাদের উৎপাতে এই ওভারব্রিজগুলো দিয়ে চলা দায়। সঙ্গে রয়েছে অপরিচ্ছন্নতা ও দুর্গন্ধ।  বনানী, ফার্মগেট, নিউমার্কেট ও মিরপুরের মতো জনবহুল এলাকায় ফুট ওভারব্রিজগুলো রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের ব্যানার দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ফলে  রাতের বেলায় এই ওভারব্রিজগুলো দখল করে নেয় অপরাধীরা।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে দুই সিটিতে নতুন করে মোট ২৩টি অত্যাধুনিক ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়ছে। এসব ফুট ওভারব্রিজগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অভিযোগ রয়েছে, ডিএসসিসি এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি সুফিয়া কামাল হলের সামনে কেস প্রকল্পের আওতায় একটি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়। যথাস্থানে নির্মাণ না হওয়ায় পথচারীরা তা ব্যবহার করেন না। এ ব্রিজটি দিনে হাতে গোনা দুই-চারজন মানুষও ব্যবহার করে কি না সন্দেহ আছে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কের মাঝের ফুট ওভারব্রিজটি প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে এ ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণের পর থেকেই অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দিনের বেলায় ভাসমান মাদকসেবী আর রাতের বেলায় যৌনকর্মীদের দখলে থাকে ব্রিজটি। একই অবস্থা বুয়েট ক্যাম্পাসে নির্মিত ফুট ওভারব্রিজটিরও। এ ছাড়া কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজ, আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ওভারব্রিজ, মিরপুর ১৩ নম্বরের ন্যাম গার্ডেনের সামনের ওভারব্রিজ, মিরপুর রোডে টেকনিক্যাল মোড়সংলগ্ন দারুস সালাম অ্যাপার্টমেন্ট ওভারব্রিজসহ অনেক ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার হয় না বললেই চলে। কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থান নির্বাচন ভুল এবং নির্মাণ ত্রুটির কারণে এই ওভারব্রিজগুলো ব্যবহার করেন না পথচারীরা। এই ওভারব্রিজগুলোর ছোট ছোট অথচ খাড়া সিঁড়িতে পথচারীদের পা ফেলতে সমস্যা হয়। এই খাড়া সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে ও নামতে কষ্ট হয় বয়স্ক পথচারীদের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ফার্মগেট, নিউমার্কেট, শাহবাগ, মিরপুর ১ ও ১০ নম্বর, খিলক্ষেত, এয়ারপোর্ট, আবদুল্লাহপুরের ফুট ওভারব্রিজগুলো হকার ও ভিক্ষুকরা দখল করে রেখেছে। এই ফুট ওভারব্রিজগুলো দিয়ে পথচারী পারাপার বেশি হওয়ায় হকার ও ভিক্ষুকদের কাছে তা খুব পছন্দের। জানা গেছে, নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে দায়িত্বরত পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহারকারী একশ্রেণির নেতাদের নিয়মিত চাঁদা দেন ভাসমান হকাররা। রাজধানীর বনানীতে দেশের প্রথম চলন্ত সিঁড়িযুক্ত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এরপর বিমানবন্দরসংলগ্ন আরেকটি ফুট ওভারব্রিজে চলন্ত সিঁড়ি যুক্ত করা হয়। কিন্তু চলন্ত সিঁড়িগুলো সন্ধ্যার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সেখান দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা পড়েন ভোগান্তিতে।

সরেজমিন দেখা যায়, পরিবাগ ফুট ওভারব্রিজটি গাছপালা দিয়ে সুসজ্জিত। কিন্তু এ ওভারব্রিজটি ভিক্ষুক আর ভবঘুরেদের দখলে। নিয়মিত পরিষ্কারের অভাবে ধুলাবালির স্তূপ জমেছে। প্রায় প্রতিটি সিঁড়িতেই ধরেছে মরিচা। একটি সিঁড়িতে বড় ধরনের গর্তেরও সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে পথচারীদের জন্য। কিন্তু নগর কর্তৃপক্ষের কেউ দেখে বলে মনে হয় না। অভিযোগ রয়েছে, স্থান নির্বাচন বা সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে এই সেতুটি পথচারীদের তেমন কাজে আসে না। তবে যারা পার হন, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর তারা থাকেন কিছুটা ভয়ে। নির্জন সেই ওভারব্রিজ ভয় আর আতঙ্কে দ্রুত পার হতে গিয়ে ভাঙা সিঁড়িগুলো আরো বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।

নাহিদ পারভীন নামে এক পথচারী বলেন, মাঝে মধ্যে এদিকে আসা হয়। প্রয়োজনে এই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় পরিবাগের দিকের ওই পাশের সিঁড়ি দিয়েই উঠি না। একদিকে ভবঘুরে ও সন্দেহজনক আচরণের লোকজন অপরদিকে কখন মরিচা ধরা গর্তে পা আটকে যায় কে জানে।

ওভারব্রিজটির নিচ দিয়ে পথচারীরা চোখ-মুখ ঢেকে যান। কারণ ধুলাবালি বা মরিচা পড়তে পারে মাথায়। এক পথচারী জানান, প্রায়ই এ পথ দিয়ে যেতে হয়। ওপরে তাকালে সিঁড়ির গর্ত চোখে পড়লেই ভয় লাগে। একদিন আমার পা-ও আটকে গিয়েছিল।

রফিকুল ইসলাম নামে আরেক পথচারী জানালেন ভয়ংকর তথ্য, তিনি বলেন, ওভারব্রিজটিতে রাতে যৌনকর্মীরা দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানেই চলে তাদের কাজ। ব্যবহূত জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এমন অবস্থা নগরীর বেশ কিছু ফুট ওভারব্রিজের বেলায়।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী সফিউল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ওভারব্রিজ মেরামতের কাজ শুরু করেছি। এসব বিষয় মাথায় রেখে কাজ করব। মরিচা পড়া গর্তের বিষয়টিও বিশেষ বিবেচনায় রাখা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বলেন, মেট্রোরেলের কাজ চলার কারণে কিছু ওভারব্রিজে ধুলাবালি জমে থাকতে পারে। প্রতি সকালেই ওভারব্রিজগুলো পরিষ্কার করা হয় বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তার।

ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময় নির্মিত দুই সিটির এই ফুট ওভারব্রিজগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে ২৩টি। প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা এ ফুট ওভারব্রিজগুলোর বেশির ভাগ পথচারীরা ব্যবহার করেন না। অভিযোগ রয়েছে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে এ ফুট ওভারব্রিজগুলো যথাস্থানে নির্মাণ করা হয়নি বলে অনেকাংশে ব্যবহূত হচ্ছে না। এ ছাড়া হকার, ছিন্নমূল মানুষ, ভিক্ষুক, মাদকসেবী ও ভ্রাম্যমাণ পতিতাদের উৎপাতে এই ওভারব্রিজগুলো দিয়ে চলা দায়। সঙ্গে রয়েছে অপরিচ্ছন্নতা ও দুর্গন্ধ।  বনানী, ফার্মগেট, নিউমার্কেট ও মিরপুরের মতো জনবহুল এলাকায় ফুট ওভারব্রিজগুলো রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের ব্যানার দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ফলে  রাতের বেলায় এই ওভারব্রিজগুলো দখল করে নেয় অপরাধীরা।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে দুই সিটিতে নতুন করে মোট ২৩টি অত্যাধুনিক ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়ছে। এসব ফুট ওভারব্রিজগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অভিযোগ রয়েছে, ডিএসসিসি এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি সুফিয়া কামাল হলের সামনে কেস প্রকল্পের আওতায় একটি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়। যথাস্থানে নির্মাণ না হওয়ায় পথচারীরা তা ব্যবহার করেন না। এ ব্রিজটি দিনে হাতে গোনা দুই-চারজন মানুষও ব্যবহার করে কি না সন্দেহ আছে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কের মাঝের ফুট ওভারব্রিজটি প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে এ ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণের পর থেকেই অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দিনের বেলায় ভাসমান মাদকসেবী আর রাতের বেলায় যৌনকর্মীদের দখলে থাকে ব্রিজটি। একই অবস্থা বুয়েট ক্যাম্পাসে নির্মিত ফুট ওভারব্রিজটিরও। এ ছাড়া কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজ, আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ওভারব্রিজ, মিরপুর ১৩ নম্বরের ন্যাম গার্ডেনের সামনের ওভারব্রিজ, মিরপুর রোডে টেকনিক্যাল মোড়সংলগ্ন দারুস সালাম অ্যাপার্টমেন্ট ওভারব্রিজসহ অনেক ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার হয় না বললেই চলে। কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থান নির্বাচন ভুল এবং নির্মাণ ত্রুটির কারণে এই ওভারব্রিজগুলো ব্যবহার করেন না পথচারীরা। এই ওভারব্রিজগুলোর ছোট ছোট অথচ খাড়া সিঁড়িতে পথচারীদের পা ফেলতে সমস্যা হয়। এই খাড়া সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে ও নামতে কষ্ট হয় বয়স্ক পথচারীদের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ফার্মগেট, নিউমার্কেট, শাহবাগ, মিরপুর ১ ও ১০ নম্বর, খিলক্ষেত, এয়ারপোর্ট, আবদুল্লাহপুরের ফুট ওভারব্রিজগুলো হকার ও ভিক্ষুকরা দখল করে রেখেছে। এই ফুট ওভারব্রিজগুলো দিয়ে পথচারী পারাপার বেশি হওয়ায় হকার ও ভিক্ষুকদের কাছে তা খুব পছন্দের। জানা গেছে, নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে দায়িত্বরত পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহারকারী একশ্রেণির নেতাদের নিয়মিত চাঁদা দেন ভাসমান হকাররা। রাজধানীর বনানীতে দেশের প্রথম চলন্ত সিঁড়িযুক্ত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এরপর বিমানবন্দরসংলগ্ন আরেকটি ফুট ওভারব্রিজে চলন্ত সিঁড়ি যুক্ত করা হয়। কিন্তু চলন্ত সিঁড়িগুলো সন্ধ্যার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সেখান দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা পড়েন ভোগান্তিতে।

সরেজমিন দেখা যায়, পরিবাগ ফুট ওভারব্রিজটি গাছপালা দিয়ে সুসজ্জিত। কিন্তু এ ওভারব্রিজটি ভিক্ষুক আর ভবঘুরেদের দখলে। নিয়মিত পরিষ্কারের অভাবে ধুলাবালির স্তূপ জমেছে। প্রায় প্রতিটি সিঁড়িতেই ধরেছে মরিচা। একটি সিঁড়িতে বড় ধরনের গর্তেরও সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে পথচারীদের জন্য। কিন্তু নগর কর্তৃপক্ষের কেউ দেখে বলে মনে হয় না। অভিযোগ রয়েছে, স্থান নির্বাচন বা সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে এই সেতুটি পথচারীদের তেমন কাজে আসে না। তবে যারা পার হন, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর তারা থাকেন কিছুটা ভয়ে। নির্জন সেই ওভারব্রিজ ভয় আর আতঙ্কে দ্রুত পার হতে গিয়ে ভাঙা সিঁড়িগুলো আরো বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।

নাহিদ পারভীন নামে এক পথচারী বলেন, মাঝে মধ্যে এদিকে আসা হয়। প্রয়োজনে এই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় পরিবাগের দিকের ওই পাশের সিঁড়ি দিয়েই উঠি না। একদিকে ভবঘুরে ও সন্দেহজনক আচরণের লোকজন অপরদিকে কখন মরিচা ধরা গর্তে পা আটকে যায় কে জানে।

ওভারব্রিজটির নিচ দিয়ে পথচারীরা চোখ-মুখ ঢেকে যান। কারণ ধুলাবালি বা মরিচা পড়তে পারে মাথায়। এক পথচারী জানান, প্রায়ই এ পথ দিয়ে যেতে হয়। ওপরে তাকালে সিঁড়ির গর্ত চোখে পড়লেই ভয় লাগে। একদিন আমার পা-ও আটকে গিয়েছিল।

রফিকুল ইসলাম নামে আরেক পথচারী জানালেন ভয়ংকর তথ্য, তিনি বলেন, ওভারব্রিজটিতে রাতে যৌনকর্মীরা দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানেই চলে তাদের কাজ। ব্যবহূত জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এমন অবস্থা নগরীর বেশ কিছু ফুট ওভারব্রিজের বেলায়।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী সফিউল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ওভারব্রিজ মেরামতের কাজ শুরু করেছি। এসব বিষয় মাথায় রেখে কাজ করব। মরিচা পড়া গর্তের বিষয়টিও বিশেষ বিবেচনায় রাখা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বলেন, মেট্রোরেলের কাজ চলার কারণে কিছু ওভারব্রিজে ধুলাবালি জমে থাকতে পারে। প্রতি সকালেই ওভারব্রিজগুলো পরিষ্কার করা হয় বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তার।

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads